চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “চুয়াডাঙ্গা টাইমস”- এর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক ”ভোরের ডাক ” পত্রিকার চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো: খালেকুজ্জামানকে হত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে স্থানীয় এক প্রতিবেশী পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (২৫ মে) ঈদের দিন সকাল ১০টার দিকে হত্যার উদেশ্যে দেশীয় অস্ত্র হেসোয়া, রড ও বাশের লাঠি দিয়ে অর্তকিত হামলা চালায় হামলাকারীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় খালেকুজ্জামানকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, দামুড়হদা উপজেলার দর্শনা থানাধীন কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের কুড়ুলগাছি মাঠপাড়ার স্থানীয় এক প্রতিবেশীর দোকানে আনুমানিক ৫/৬দিন আগে বিদ্যুৎ-এর অবৈধ সাইড লাইনের খবর জানতে পেরে লাইনটির সংযোগ তাৎক্ষনিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্যরা। সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পিছনে খালেকুজ্জামানের হাত আছে এমন সন্দেহ করে দোষারোপ করতে থাকে ওই প্রতিবেশী পরিবারের লোকজন।
এরি প্রেক্ষিতে সোমবার ঈদের দিন সকাল ১০টার দিকে ঈদের নামায শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই প্রতিবেশীর তিন ছেলে খালেকুজ্জামানকে রাস্তায় একা পেয়ে দেশীয় অস্ত্র হেসোয়া,রড ও বাশের লাঠি দিয়ে অর্তকিত হামলা চালায়।
এই সময় খালেকুজ্জামানকে হত্যার উদেশ্যে হেসোয়া দিয়ে মাথায় আঘাত করতে গেলে খালেকুজ্জামান হাত দিয়ে হেসোয়া ধরে ফেলে। এতে তার ডান হাতের আঙ্গুল কেটে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায় এবং বাম হাতের একটি আঙ্গুল ভেঙ্গে গেছে। এছাড়াও তাকে ও বাশের লাঠি দিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে আহত সাংবাদিক খালেকুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, স্থানীয় প্রতিবেশী গণির সেজো ছেলে হাবিল একমাস আগে সীমান্তবর্তী এলাকা বড়বলদিয়া থেকে ব্যাগে করে ভারতীয় ফেন্সিডিল নিয়ে আসার সময় নতুন গ্রামের মাঠের মধ্যে দেখে ফেলে তাকে মাদকের ব্যাবসা করতে নিষেধ করলে সে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়।
এই কারনে হয়ত ক্ষোভে আমার উপর হামলা করতে পারে হামলাকারীরা। তিনি আরো জানান,বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করনের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। আমাকে অন্যায়ভাবে দোষারোপ করে আমার উপর হামলা করেছে।
হামলার ব্যাপারে হাবিলের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমরা সন্দেহ করি খালেকুজ্জামান পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে আমার বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করিয়েছে। তাই আমরা ক্ষোভে এমন কাজ করেছি। সামান্য বিষয় নিয়ে ঈদের দিনেই কেন হামলা করতে হবে? এমন প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি হাবিল।
এই ব্যাপারে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান,বিষয়টি আমি শুনেছি এখনো কেউ কোন মামলা করেনি তবে মামলা করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।
কেএ/বার্তাবাজার