মুসলমানদের সবচেয়ে বড় খুশির দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। তবে মরণঘাতী করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। ঈদের চিরপরিচিত সেই আবহ এবার নেই কোথাও। তারপরও সীমিত পরিসরে চলছে সকল আনুষ্ঠানিকতা। একই চিত্র কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারেও।
ঈদের আগদিন রবিবার (২৪ মে) পর্যন্ত কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল ৮৭০০।
প্রতি বছরের মতো ঈদের বিশেষ দিনটিতে বিশেষ খাবার পেলেও এবার একসাথে জামাতে নামাজ পড়তে পারেননি বন্দীরা। করোনার প্রাদুর্ভাব এড়াতে এবার কারাগারে কারাবন্দিদের জামাতে অংশ নিতে দেয়নি কারা কর্তৃপক্ষ। তারা নিজ নিজ ওয়ার্ডে নামাজ আদায় করেছেন।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম জানান, প্রতিবছর কেরানীগঞ্জ কারাগারের ভেতরে বিশাল দু’টি মাঠে বন্দীদের নিয়ে একযোগে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে এবার তারা নিজ নিজ ওয়ার্ডেই নামাজ পড়েছেন। কারাগারে বন্দীদের সঙ্গে ঈদ আনন্দে মেতে উঠেছেন কারা কর্মকর্তা ও কারারক্ষীরাও।
ঈদে বন্দীদের খাবাররের বিষয়ে তিনি জানান, ভোর ৭টায় মুড়ি আর পায়েস দিয়ে ঈদ উদযাপন শুরু করেছেন কারাগারের বন্দীরা। ঈদের দিন দুপুরে বন্দীরা সাদাভাত, রুই মাছ আর আলুর দম পাবেন। আর রাতের বিশেষ আয়োজনে তারা পাবেন পোলাও, গরু বা মুরগীর মাংস, ডিম, মিষ্টান্ন এবং পান-সুপারি।
বিশেষ দিনে কেরানীগঞ্জ কারাবন্দিরা সেখানে খাবারের পাশাপাশি পরিবারের পাঠানো খাবারও খেতে পারলেও এবার বন্দীদের পরিবারের সাক্ষাৎ বন্ধ রেখেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
বার্তাবাজার/এমকে