পটুয়াখালীতে জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫ লাখ মানুষ

পটুয়াখালীতে সুপার সাইক্লোন আম্ফানের প্রভাবে তেমন ক্ষতি করতে না পারলেও ক্ষতি করেছে ঝড়ের কারণে সৃষ্ট রাতের জলোচ্ছ্বাস।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্যমতে জেলার ৭৩টি ইউনিয়ন এবং ৫টি পৌরসভা দুর্যোগ কবলিত হয়েছে। এসব এলাকার দূর্গত মানুষের সংখ্যা ৪ লাখ ৮১ হাজার ৯৭০ জন। জেলার ৮টি উপজেলায় ৮ হাজার ১২১টি বাড়িঘর আংশিক এবং ২ হাজার ৩৫৫টি বাড়িঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে।

বুধবার সকাল ৯টায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে জেলার কলাপাড়া উপজেলায় সেচ্ছাসেবক শাহ আলমের নৌকাডুবিতে মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সন্ধ্যায় জেলার গলাচিপা উপজেলায় বাবা-মার সঙ্গে সাইক্লোন শেল্টারে যাওয়ার পথে গাছচাপা পড়ে ৫ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়।

এদিকে আম্ফানে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে পটুয়াখালী জেলার ৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, বুধবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসে উপকূলের অনেক এলাকার বাঁধের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।

এ সময় বিপদসীমার ১৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। জেলায় মোট আট কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার ছোট বিঘাই ইউনিয়নের ভাজনা এবং দশমিনা উপজেলার রংগোপালদী ইউনিয়নের বুড়িরকান্দা এলাকার বাঁধ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত জানান, কাজ চলমান রয়েছে। বিস্তারিত তথ্য কিছু সময় পরে দেয়া যাবে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর