আম্পানের আঘাতে দুমাসের শিশুর মৃত্যু

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা। এসব এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ১০ থেকে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা ‘ধ্বংস’ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাদ নেই ওড়িশ্যাও। রাজ্যে এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ভদ্রক জেলার কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুমাস বয়সী এক শিশুর।

জেলার তিহিদি ব্লকের কান্নাডা গ্রামে শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ছাড়া বালাসোরে এলাকায় মৃত্যু হয় এক নারীর। এদিকে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে হাজার হাজার কাঁচা ঘরবাড়ি এবং গাছপালা ভেঙেছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত ঝড়ে তিনজনের মৃত্যুর খবর দেয় সংবাদমাধ্যমটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হাওড়ায় ঝড়ে উড়ে যাওয়া টিনের আঘাতে মারা গেছে ১৩ বছরের এক কিশোরী। বসিরহাটে বাড়ির উঠানে গাছ ভেঙে পড়ে মারা গেছে ২০ বছরের এক তরুণ। মিনাখাঁয় মাথায় গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক নারীর। পূর্ব মেদিনীপুরে বাড়ির দেওয়াল ভেঙে আহত হয়েছেন এক নারী। তাকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এই সময় জানিয়েছে, কচুবেরিয়ার জেটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে। কাকদ্বীপ, কৈখালি, কুলতলি, পাথরপ্রতিমায় একের পর এক বাঁধ ভেঙে পড়েছে। বানভাসী হয়ে গেছে বহু গ্রাম। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাজার-হাজার কাঁচা বাড়ি। গোসাবার ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর