ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে পটুয়াখালীতে ভাঙা বাধ ও নতুন করে বাধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়েছে। এতে অনেক কাঁচা ঘর, গাছ গাছালি ভেঙে ক্ষতি হয়েছে যার হিসেব তাৎক্ষনিক নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা ত্রান ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, রাঙ্গাবালী, গলাচিপা ও কলাপাড়ার অবস্থা খুবই ভয়ানক। বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি চলে আসছে, প্রচুর ঘর বাড়ি প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া দুই জন মারা গেছে।
তিনি আরও বলেন , কিছু জায়গায় বাধ ভেঙ্গে গেছে। ক্ষয়-ক্ষতির হিসেব তাৎক্ষনিক দেওয়া সম্ভব না।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, জেলার দশমিনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়া এলাকার ৫০ টি চর প্লাবিত হয়েছে ।

দুমকী উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মজুমদার জানান, দুমকী উপজেলার পাংগাশিয়া ইউনিয়নের রাজগঞ্জ এলাকার ওয়াপদা বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে পায়রা নদীর পানি প্রবল বেগে প্রবেশ করে উত্তর পাংগাশিয়া, দক্ষিন পাংগাশিয়া, রাজাগঞ্জসহ অন্ততঃ পাঁচ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অপরদিকে লেবুখালী ফেরীঘাট এলাকা তলিয়ে গেছে। নির্মানাধীন লেবুখালী সেতুর দক্ষিনপাড়ের সড়ক প্রায় মৌকরণ ব্রিজ পর্যন্ত পানিতে ডুবে গেছে। ঘূর্ণীঝড়
আম্ফানের তাণ্ডবে দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া কলেজ ভবনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে।
সদর উপজেলার বাসিন্দা মহিবুল্লাহ চৌধুরী জানান, শহরের পুরান বাজার, নিউ মার্কেট, সেন্টার পাড়া, ৯ নং ওয়ার্ড ও পৌর এলাকার বেশ কিছু এলাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান জানান, বিপদ সিমার ১৭৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পায়রা লোহালিয়া, তেতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে পানি প্রবেশ করছে।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস