ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার সময় পটুয়াখালীতে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যার কিছু পরে গাছের চাপায় তার মৃত্যু হয়। নিহত শিশুর নাম মো: রাশেদ (৫)।
গলাচিপার পানপট্টি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের খরিদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটাসহ গোটা উপকুলীয় এলাকায় প্রচণ্ড বেগে ঝড়ো বাতাসের সাথে বৃষ্টি বইছে। সন্ধ্যার পর থেকে সমুদ্রে বড় বড় ঢেউ আঁচড়ে পড়ছে।
ঝড়ে গলাচিপার পানপট্টি বাজারের ১০/১২টি দোকান উপড়ে পরেছে। পায়রা নদীর পানি বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে কলাপাড়ার ও রাঙ্গাবালীর উপজেলার ১৭টি চরের ২০টি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। তবে আর কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এ পর্যন্ত জেলায় ৭৫৩টি সাইক্লোন সেল্টারে সারে ৩ লাখ মানুষসহ ৮০ হাজার গবাদিপশু আশ্রয় নিয়েছে। বিকেল থেকে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষদের ট্রলারযোগে মূল ভূখণ্ডে সরিয়ে নেয় প্রশাসন।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস