মহা ঘূর্ণিঝড় হিসাবে অভিহিত করা আম্ফানের প্রভাবে এখনই সাগর ও নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ ফুট। ইতমধ্যেই পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ১৭টি ও রাঙ্গাবালীর ৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জেলায় এই পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও ৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসন।
আম্ফানের কারনে পায়রা সমুদ্রবন্দর ও পটুয়াখালী জেলায় ১০ নাম্বার মহাবিপদ সংকেত জারি করা রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানা যায়, স্বাভাবিকের তুলনায় নদীতে পানি অনেক বেশি। অনেকের ঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। যার কারণে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন লোকজন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসফাকুর রহমান জানান, মধ্য চালিতাবুনিয়া, বিবির হাওলা, চরলতা, গোলবুনিয়া, চর আন্ডা, খালগোড়া, গোঙ্গীপাড়া ও চর কাশেম প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে ৭৪০টি বাড়িঘর। চরাঞ্চলের মানুষদের সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসা হয়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরতদেরকে শুকনা খাবার ও সেহরি-ইফতারের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বার্তাবাজার/এসজে