আম্ফান: মোংলার আশ্রয় কেন্দ্রে সাড়ে ৭ হাজার মানুষ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকাল থেকেই উপকূলীয় জেলাসমুহে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও মাঝারি ঝড়ো হাওয়ার মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে। তাই এর কবল থেকে নিজদের রক্ষা করতে মঙ্গলবার রাত থেকেই মোংলা উপজেলার বিভিন্ন সাইক্লোন সেন্টারে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ মানুষ ঠাঁই নিয়েছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া এসব মানুষকে রাতেই শুকনা খাবার হিসাবে চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, গুড় দেয়া হয়েছে। জরুরী প্রয়োজন হিসাবে মোমবাতি ও দিয়াশলাই দেয়ার পাশাপাশি সেহরি ও ইফতার বিতরনও করা হবে বলে জানা গেছে।

জানা যায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় রাতেই মোংলার সবচেয়ে দুর্গম এলাকা হিসেবে চিহ্নিত চিলা, সুন্দরবন ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের নদীর পাড়ের দুর্বল কাঁচা ঘরবাড়িতে বসবাসকারীদের সন্ধ্যার পর থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়। এর মধ্যে চিলা ইউনিয়নের লোকজন তুলনামূলক এখন পর্যন্ত বেশি আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছে। এরপরই আছে সুন্দরবন, সোনাইলতলা ও বুড়িরডাঙ্গার লোকজন।

এ বিষয়ে মোংলার ইউএনও মো. রাহাত মান্নান বলেন, ‘ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে এরইমধ্যে ২৩ টন চাল, শুকনো খাবারের জন্য ৩৬ হাজার টাকা ও শিশু খাবার সংগ্রহের জন্য ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর