দিনে সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক কর্মকান্ড চালান। এর ভিতরে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলীয় কর্মকান্ডেও সম্পৃক্ত থাকতে হয়।
প্রতিদিন বিকালে নিজে উপস্থিত থেকে নিজ অর্থায়নে হতদরিদ্র রোজাদারদের মাঝে বিতরণ করেন ইফতার সামগ্রী। আর রাতের আঁধারে ‘হটলাইন’ নাম্বারে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের খাদ্য সামগ্রী চেয়ে আসা কল কিংবা ‘এসএমএস’ (ক্ষুদে বার্তা) পেয়ে ছুটে বেড়ান ওইসব মানুষের দ্বারে দ্বারে।

তিনি অন্ধকারে আলোর দূত মানবিক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব। যিনি করোনা ভাইরাসে নিজের সংক্রমণ এবং এর দ্বারা নিজ পরিবারের সদস্যদেরও সংক্রমণের ভীতিকে উপেক্ষা করে কেবলমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুযায়ী এবং সাভার উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের জন্য তাঁর অসীম ভালোবাসার কারণে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ‘হটলাইন’ নাম্বারে বার্তা পেয়ে নিজের গাড়ি নিয়ে সাভার উপজেলার পৌরসভা সহ আশুলিয়া, সাভার ও পাথালিয়া ইউনিয়নের মোট ৪২টি পরিবারকে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।
এবিষয়ে মুঠোফোনে তাঁর কাছে জানতে চাইলে এই মানবিক চেয়ারম্যান জানান, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এটাই আমার আসল কাজ। আমার উপজেলায় এই করোনা পরিস্থিতিতে একটি পরিবারও যদি না খেয়ে নির্ঘুম রাত কাটায়, তবে এর দায়ভার কিভাবে বইবো আমি? এজন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে খাদ্য সহায়তা নিয়ে প্রতিটি কর্মহীন, অসহায়, নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আর এই করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কাজ চলমান থাকবে।
প্রসঙ্গত, এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাভারের প্রায় উনিশ হাজারেরও বেশী পরিবার প্রত্যক্ষভাবে মঞ্জুরুল আলম রাজীবের থেকে খাদ্য সহায়তা লাভ করেছে।
কেএ/বার্তাবাজার