চরমটুয়া ইউনিয়নের “কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ট ও পশু পাখি কল্যাণ কেন্দ্র” টি বেশ কিছু বছর যাবৎ বন্ধ আছে।
বৃহত্তর চরমটুয়া ইউনিয়ন “কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ট ও পশু পাখি কল্যাণ কেন্দ্র” টি প্রায় ১০ বছর যাবৎ বন্ধ থাকায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ তাদের গরু, গাভী, ছাগল, হাঁস, মুরগীর চিকিৎসা নিয়ে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা ভুলেই গেছেন শেষ কবে “কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ট ও পশু পাখি কল্যাণ কেন্দ্র”টি খোলা হয়েছে কেউই সঠিক বলতে পারে না।
এই ইউনিয়নে বেশ কয়েকটি দুগ্ধ উৎপাদন ও গরু-ছাগল মোটাতাজাকরণ খামার রয়েছে। তারা তাদের প্রাণীর স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা কীভাবে করেন? এমন প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে, একজন জানান তারা এখন কিছু গ্রাম্য পশু ডাক্তার দেখান। এবং অভিযোগ করেন তাদের ভিজিট অনেক বেশি কিন্তু তারা প্রাণী চিকিৎসায় খুব একটা দক্ষ নয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের ডাক্তারের কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকে না। কিন্তু তারা নিরুপায় হয়ে এসব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে। এবং তারা ইউনিয়ন প্রাণী ও পাখি উন্নয়ন কেন্দ্রটি অনতিবলম্বে চালু করার দাবিও করেন।
সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বৃহত্তর চরমটুয়া ইউনিয়ন “কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ট ও পশু পাখি কল্যাণ কেন্দ্র”টি ১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর পাশে অবস্থিত। এটি যে কত বছর আগে বন্ধ হয়েছে তার দরজার লাগানো তালা দেখে ধারণা করা মুশকিল। কেন্দ্রটির পথের উপর মানুষের রাখা গাছ প্রমাণ করে এটি এখন আর মানুষ আসে না। কেন্দ্রের যেখানে বেঁধে গরু-ছাগল চিকিৎসা করা হতো সে স্থানের ঘাসের অবস্থা (লম্বা) দেখে বুঝা যায় এখানে স্থানীয় মানুষ গরু-ছাগল চরাতেও আসেন না।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস