চলমান করোনা মোকাবিলায় আক্রান্তদের ভয়ে যখন অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে স্ব-ঘোষিত হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করছেন, ঠিক তখন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাতদিন কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে ছুটছেন মাগুরা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ সাকিব হাসান তুহিন।
একজন করোনা যোদ্ধা হিসাবে দিনরাত জনগণের পাশে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, খাদ্য ও সচেতনতা তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
নিজনান্দুয়ালী ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানায়, কাউন্সিলর তুহিন একমাত্র জনপ্রতিনিধি যিনি এই সময়ে ঘরে বসে থাকেননি। ৭নং ওয়ার্ডের আনাচে কানাচে মৃত্যুর ভয় উপেক্ষা করে ত্রাণ নিয়ে নিজেই ছুটে যাচ্ছেন তিনি। সরকারি ও নিজস্ব তহবিল থেকে ওয়ার্ডে হতদরিদ্র, অর্ধাহারে ও অনাহারে থাকা পরিবারের কাছে নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন । জনগণকে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানে ও ত্রাণ কার্যক্রম মনিটরিং করতে নিজ বাসায় পরিবারকে সুরক্ষিত রেখে নিজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজের অফিসে সার্বক্ষণিক অবস্থান করছেন। রাত হলেই ত্রাণ নিয়ে ছুটে পড়েন নিম্ন মধ্যবিত্ত, হতদরিদ্র পরিবারের কাছে। তিনি প্রতিনিয়ত স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যমে জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটিয়ে দিচ্ছেন পাড়া-মহল্লা ও মসজিদ – মাদ্রাসায়।করোনা প্রভাবের শুরুতেই নিজের ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মাঝে ২ হাজার মাস্ক বিতরণ করেছেন। কাউন্সিলরের এমন কমর্কান্ডে ৭ নং ওয়ার্ডবাসী মানবতার ফেরিওয়ালা নাম দিয়েছেন সাকিব হাসান তুহিনকে।
মাগুরা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাকিব হাসান তুহিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের বরাদ্দের পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণের ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছি। জনগণের সেবা করে যাচ্ছি, যা করোনার প্রভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।’
বার্তা বাজার/টি.সি