ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’র নামকরণ হলো যেভাবে

করোনায় যখন থমকে আছে পুরো দেশ ঠীক তখন হানা দিচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। সময়ের সাথে সাথে শক্তি বাড়াচ্ছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। চার সমুদ্রবন্দরে দেখাতে বলা হয়েছে ৪ নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত। গত বছরের নভেম্বরে আঘাত হানা ‘বুলবুল’র গতিপথ অনুসরণ করেই আগামী বুধবার বাংলাদেশের ওপর আছড়ে পড়তে পারে নতুন ঘূর্ণিঝড়টি।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের নামকরণ করেছে থাইল্যান্ড। কোনো ঝড়ের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ৩৯ মাইল হয়, তাহলে এর একটি নামকরণ করা হয়। ২০০৪ সালে থেকে ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, এবং থাইল্যান্ড বিভিন্ন সময় ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ করছে। ২০১৮ সাল থেকে পর ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইয়েমেনও ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে।

এর আগে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র নামকরণ করেছিল বাংলাদেশ। বিজ্ঞানী থেকে সাধারণ মানুষ সহজে মনে রাখতে পারে, যে কারণে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের নামকরণ করে পাকিস্তান। নির্দিষ্ট নাম ব্যবহার করলে সাইক্লোনের বর্তমান অবস্থান এবং তীব্রতা নির্ধারণ, দ্রুত সতর্কীকরণ, এবং একই অঞ্চলে একাধিক ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি দূরীকরণের কাজে সুবিধা হয়।

২০০০ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সভায় আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের সাইক্লোনের নামকরণ নিয়ে একটি ঐকমত্য হয়। সদস্য দেশগুলোর দাবির মুখে ২০০৪ সাল থেকে এ অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া শুরু হয়। পূর্বনির্ধারিত একটি নামের তালিকা থেকে একেকটি ঝড়ের নাম দেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া অফিসগুলো এই নামকরণের দায়িত্ব পালন করে থাকে।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর