পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় নমুনা সংগ্রহের পরীক্ষার পর এক বৃদ্ধের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে । তার বয়স ৬৫ বছর। তার বাড়ি বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের প্রধানপাড়া গ্রামে। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসের শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাড়ালো ২০ জনে।
রোববার (১৭ মে) সন্ধায় এক ব্যাক্তির করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পঞ্চগড় জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান।
এদিকে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোলেমান আলী জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে ওই বৃদ্ধ তার স্ত্রীর লাশ নিয়ে বাসা ফেরার পরই ওই দিনই তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছিল। তবে করোনা সনাক্ত হওয়ার রির্পোট পাওয়ার পরপরই করোনা আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তির বাড়ির আশপাশের কয়েকটি বাড়ি বাড়তি সতর্কতার জন্য লকডাউন করে রাখা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, করোনায় শনাক্ত হওয়া বোদা উপজেলার আক্রান্ত ব্যক্তি একজন বৃদ্ধ। তার স্ত্রী মারা যাওয়ায় গত ১৫ মে ঢাকা থেকে তার পরিবার সহ নিজ বাসায় ফেরেন। তবে ওই বৃদ্ধ ঢাকায় তার ছেলের বাসায় থাকতো।
তার কিডনীর সমস্যা হওয়ায় সেখানে থেকে কিডনীর থেরাপী সহ চেকাপ করাতো। সে তার পরিবারের বাকী সদস্যরা সহ ঢাকা থেকে তার গ্রামের বাড়িতে ফিরলে তাদের সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।
১৫ মে ওই পরিবারের ৪ জনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করলে আজ ১৭ মে ওই বৃদ্ধের নমুনার রিপোর্ট পজেটিভ আসে।
এ পর্যন্ত পঞ্চগড়ে জনের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর ও দিনাজপুর এবং ঢাকা আইইডিসিআরে পাঠানোর পর ৭৮৭ জনের মধ্যে ৭৫৬ জনের রিপোর্ট এসেছে এবং ৭ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
এদিকে পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান ১ জনের করোনা সনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে আরো জানান, ওই বৃদ্ধের পরিবারের ৪ জনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করলে তার নমুনার ফলাফল পজেটিভ আসে।তবে তার শারিরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেখানে তাকে আইসোলেশনে ভর্তি করানো হবে। তার বাকী চিকিৎসা সেখান থেকে করানো হবে। তবে ইতিমধ্যে ৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। তারা তাদের নিজ বাড়িতে আছে।
কেএ/বার্তাবাজার