দিনাজপুরে আ. লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবন পালন

আজ ১৭ মে, বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন।

আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি উৎযাপন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ত্রাণ পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আলতাফুজ্জামান মিতা, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মীর শরীফ উদ্দিন মনির, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিধু ভূষণ সরকার, জেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম আলাল, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান জুয়েল, দিনাজপুর জেলা জজ কোর্টের স্পেশাল পিপি সামছুর রহমান পারভেজ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ইমতিয়াজ ইনান প্রমুখ।

জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হুদা হেলাল এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দীর্ঘ নির্বাসনের পর আজকের এই দিনে দেশে ফিরেছিলেন।

যখন দেশে ফিরেন তখন ছিল না বাবা, ছিল না মা, ছিল না ভাই, ছিল বোন! পৃথিবীতে বাবা মা ভাইকে হারিয়ে তিনি এই দেশের টানে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই কন্যাই আজ আমাদের প্রধানমন্ত্রী। এই দেশ থেকে যারা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে চিরতরে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল তাদের স্বার্থ হাসিল হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’

দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ত্রাণ পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আলতাফুজ্জামান মিতা তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জলে ভাসা কোন সংগঠন নয়। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে যারা শেষ করে দিতে চেয়েছিল তারাই আজকে হারিয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেললেও বাংলাদেশে চিরকাল তিনি বেঁচে থাকবেন। দীর্ঘ নির্বাসনের পর আজকের এই দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন দেশে এসেছিলেন তখন বাংলার মানুষ নতুন করে আরেকবার বাঁচার স্বপ্ন দেখেছিল।

আজকে সেই বাংলার মানুষের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আজকে এই দুর্যোগকালীন সময়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তা পৃথিবীতে নজির স্থাপন করেছে। আমরাও তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছি।’

দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা। বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিলেন তাদের স্বার্থ সাময়িকভাবে হাসিল হলেও কিন্তু তারা দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারেনি। মির্জাফররা কখনোই দীর্ঘ মেয়াদী হয় না।

আজ বাংলাদেশে তৈরির ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু যেমন তাঁর জীবন দিয়ে গেছিলেন ঠিক তেমনইভাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও নিজের জীবন বাজি রেখে দেশের ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।’

আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি পালনের সমাপ্তি করা হয়।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর