তাইজুল যদি না থাকতো, নিউজিল্যান্ডে আমরা কেউ বাঁচতাম না : তামিম

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে হামলার কথা মনে হলে হয়ত এখনো শিউরে উঠেন তামিম-মুশফিকরা। ২০১৯ সালের মার্চে ক্রিকেট বিশ্বে ঘটে যেতে পারতো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা। এক সঙ্গে পরপারে চলে যেতে পারতেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ৮-১০ জন ক্রিকেটার।

সেদিন ছিল শুক্রবার। ক্রাইস্টচার্চে অনুশীলন শেষে মসজিদে যাওয়ার যাওয়ার কথা ছিল টাইগারদের। যাওয়ার সময় অজ্ঞাত এক নারীর সতর্কবার্তায় হামলাস্থল মসজিদে যাওয়ার রাস্তা থেকেই মাঠে ফিরে গিয়েছেন তামিমরা।

কিন্তু না; সেদিন তাইজুলের একটু দুষ্টুমির কারণেই মসজিদে যেতে দেরি হয় টাইগারদের, না হয় আরও আগেই যেতেন তারা। একটু পরে যাওয়ার কারণেই মূলত বেঁচে যান তারা।

গতকাল এক ফেসবুক লাইভ আড্ডায় তামিম ইকবাল ওই ঘটনার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তাইজুল যদি নিউজিল্যান্ডে না থাকতো আর সে যদি দুষ্টুমিটা না করতো, তাহলে আমরা কেউ বেঁচে থাকতাম না। একমাত্র লিটন দাস বেঁচে থাকতো, ও হোটেলে ছিল। তাইজুলের স্পেশালিটি হলো সে কোনোভাবেই হার মানতে চায় না।’

খেলা শেষে যখন মসজিদের দিকে যাচ্ছিলের তখন মিনিট দুয়েকের হেরফের হয়েছে। এই দুই মিনিটের কারণে অনেক কিছু ঘটে যেতে পারতো। তামিম বলেন, ‘ওই অ্যাটাকে আমরা যদি দুই মিনিট আগেও পৌঁছাতাম, আমরাও এই অ্যাটাকের মধ্যে পড়ে যেতাম।

তাইজুল মুশফিকের সাথে কনটেস্ট করছিল ওয়ান টু ওয়ান ফুটবল। ওখানেই আমাদের তিন চার মিনিট লেট হয়ে গেছে। তুই যদি সেদিন না খেলতি তাইজুল আমরা কেউ বেঁচে থাকতাম না।’

গত বছরের ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে শ্বেতাঙ্গ এই সন্ত্রাসীর গুলিতে পাঁচজন বাংলাদেশিসহ ৫১ জন মুসলমান নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অনেকেই আহত হয়েছেন। এ হামলা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের কয়েকজন সদস্য।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর