মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে দীর্ঘদিন যাবত খাদ্য বান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে বালুরচর ইউনিয়নের সাফায়েত এন্টারপ্রাইজ এর মালিক রিয়াজুলের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের মাধ্যমে ও সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বালুরচর ইউনিয়নের ডিলার সাফায়েত এন্টারপ্রাইজ খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা মূল্যের চাল বিক্রয় করছেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৩০ কেজির প্রতি বস্তা চালের মুল্য সরকারী নির্ধারিত মূল্য ৩০০ টাকার পরিবর্তে প্রতি বস্তা চালের মূল্য ৩২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও একজনের নামের কার্ডে দিয়ে অন্য জন চাল নিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধি ভুক্ত ভোগী জানান, আমরা যতবার চাল নিতে আসি তাঁরা আমাদের কাছ থেকে ৩২০ টাকা করে নেয়। ৫ টাকা কম দিলেও বস্তা দেয়না। আমরা বলি সরকার তো ৩০০টাকার কথা বইলা দিছে আপনারা বেশি নিবেন কেন তারা বলে বলে বস্থা খরছ দিতে হবে।
অনিয়ম সম্পর্কে বালুচর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. আবুল হোসেন ভুট্ট বলেন, আজ ডিলার আসেনি আমি তার দায়িত্ব পালন করছি। তবে ২০টাকা বেশি নেয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন ডিলারের গোডাউন দূরে এখানে বস্তা খরছ লাগে তাই ২০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয়।
তবে একজনের কার্ডের চাউল অন্যজনকে কেন দেওয়া হয় সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে ব্যাক্তি অসুস্থ তার ছেলে বা মেয়েকে দিয়েছি তা ছাড়া আর কেও নেয়নি। এ বিষয়ে ডিলার রিয়াজুলকে একাধিক বার ফোন দিলেও তার মুঠফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
দায়ীত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার কৃষি উপ সহকারি সামসুল মুঠোফোনে জানান, আমি ঢাকা আছি, আজ চাল বিতরণের কথা আমাকে জানানো হয়নি। আর আমি এখানের দায়িত্বে নাই। যদি আমাকে এখানের দায়িত্ব দিয়েও থাকে তা আমি জানি না।
কেএ/বার্তাবাজার