বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রতিদিনই দেশে মরছে মানুষ, দিন যায় লাশের সারি দীর্ঘ হয়। করোনা আতঙ্কে ঘরবন্দি মানুষ। সেই অবস্থায় থেকেও লকডাইনে গৃহবন্দি মানুষের কথা ভুলে যাননি তিনি। নিজের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ পৌরবাসীর সব শ্রেনীর মানুষের পাশে রয়েছেন তিনি । পৌরবাসী ও যে কোন প্রয়োজনে পাশে পান তাকে । তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী, একজন রাজনীতিবিদ আবার অনেকের কাছে তিনি তাদের বিপদের দিনের পরম বন্ধু সমাজসেবক সাইফুল।
ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও গরিব-অসহায় দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার নামে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করছেন গোপালগঞ্জ সদর থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ টিন রড ব্যাবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক সমাজসেবক সাইফুল ইসলাম।
শনিবার গোপালগঞ্জ পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে লকডাউনে গৃহ বন্দি ছিন্নমূল-অসহায় গরীবদের মাঝে প্রায় ২৫০০ পরিবারে কে এ ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কাজী লিয়াকত আলি লেকু ।
এর আগে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে গোপালগঞ্জ ২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নির্দেশে প্রথম ধাপে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অসহায় ও অসচ্ছল ৬০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন।
২য় ধাপে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের মাঝে পিপিই বিতরন করেন।
৩য় ধাপে ২৫০০ পরিবারের মাঝে ৩ দিন ব্যাপি ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছেন ।
শুধু তাই নয় সাইফুলের সহায়তায় পুরো রমজান মাসব্যাপী অসহায় ও অসচ্ছল পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী বিতরনের এ কাযর্ক্রম অব্যাহত থাকবে ।
সাইফুল জানান, আমি আমার এলাকায় করোনায় গৃহবন্দি মানুষের পাশে থেকে তাদের দু:খ কষ্টের ভাগিদার হিসাবে প্রথম ধাপে এলাকায় ৬০০ পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরন করেছি। ২য় ধাপে চিকিৎসকদের পিপিই বিতরন করি ।৩য় ধাপে ২৫০০ ছিন্নমূল-অসহায় গরীবদের মাঝে ঈদ উপহার ও নগদ টাকা বিতরণ করেছি।
সাইফুল আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা ও সেলিম ভাইয়ের নির্দেশে আমি গরীব, অসহায় মানুষের জন্য যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছি মানুষের মাঝে হাসি ফুটানোর এ ক্ষুদ্র প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান গোপালগঞ্জে কেউ না খেয়ে মারা যাবে না।
আমি নিজে ভালো থাকায় বিশ্বাসি না এলাকার সবাইকে সাথে নিয়ে ভালো থাকতে চাই । এলাকার মানুষের সুখে দু:খে আগেও যেমন ছিলাম ভবিষৎতে ও থাকতে চাই ।
বার্তা বাজার/এম.সি