ভাষা সৈনিক ও প্রবীণ সাংবাদিক সাদেক খানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৬ মে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নির্ভীক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ সাদেক খান এই দিন তার বারিধারার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।
সাদেক খান ১৯৩৩ সালের ২১ জুন মুন্সীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওই সময় তার পিতা সাবেক পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার মরহুম আবদুল জব্বার খান মুন্সীগঞ্জে কর্মরত ছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচরে।
সাদেক খান ছিলেন পরিবারের জ্যেষ্ঠ সন্তান। তার অন্য ভাই-বোনরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, প্রখ্যাত সাংবাদিক এনায়েতুল্লাহ খান, সাবেক মন্ত্রী সেলিমা রহমান, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং ইংরেজি দৈনিক নিউএজ প্রকাশক শহিদুল্লাহ খান বাদল প্রমুখ।
সাদেক খান ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সাংগঠনিক নেতৃত্বের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কেন্দ্রীয় সংগ্রাম কমিটির সভা থেকে গ্রেফতার হন এবং একমাস কারাভোগ করেন। ১৯৫৫ থেকে ৫৭ সাল পর্যন্ত তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সহ-সম্পাদক পদে কাজ করেন। এরপর তিনি চলচ্চিত্র জগতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেন, ‘নদী ও নারী’ তার কালজয়ী চলচ্চিত্র। সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। তিনি সাপ্তাহিক হলিডে পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি নিয়মিত সংবাদপত্রে কলাম লিখতেন।
বার্তাবাজার/এমকে