বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী, জনপ্রিয় কবি ও ‘আইরিন খান’ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আইরিন খানের উদ্যোগে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পিপিই ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষদের মাঝে তিনি ব্যক্তিগত সুরক্ষ্ম সামগ্রী বিতরণ করেন। একইসাথে বরাবরের মত দুস্তদের মাঝে খাদ্যসমগ্রী বিতরণ করেন।
জানা যায়, দুই বছর আগে তার নিজহাতে গড়া ‘আইরিন খান’ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের অসহায় মানুষদের পাশে আছেন তিনি। প্রায় প্রতিদিনই তিনি ছিন্নমূল মানুষদের সন্ধানে ঘুরে বেড়ান। তাদেরকে পেলেই পরম মমতায় সেবা দিয়ে যান। অসহায় মানুষেরাও আইরিন খানের এমন মহানুভবতায় মুগ্ধ।

আরও জানা যায়, তিনি তার মায়ের কাছ থেকে সমাজ সেবার এই দীক্ষা লাভ করেছেন। নবম শ্রেণীতে পড়াকালীন সময় থেকে তার মায়ের নিজ হাতে গড়া একটি সামাজিক সেবামূলক অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে কাজ করা শুরু করেন। তখন থেকেই তার মনে দৃঢ় সংকল্প জাগে, সারাজীবন ব্যয় করে যাবেন অসহায় মানুষের কল্যাণে।

এখনও তিনি তাই করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিজীবনের বাইরে এক মুহুর্ত সময় পেলেই ছুটে বেড়ান ফুটপাথে, এতিমখানায় আর বৃদ্ধাশ্রমের অসহায় মানুষগুলোর মনের হাহাকার দূর করতে। কখনও খাদ্য দিয়ে, কখনও বা পরিধানের জামা কাপড় দিয়ে ভাল রাখার চেষ্টা করেন সমাজের একেবারে নিম্ন আয়ের মানুষদেরকে।

আইরিন খানের রাজনৈতিক জীবনও বেশ বর্নাঢ্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময় থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। জাতির জনকের আদর্শ বুকে ধারণ করে, শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার সংকল্পে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের নির্বাচনেও তিনি লড়াই করেছেন।
আইরিন খান বার্তাবাজারকে জানান, মানুষের জন্য কিছু করাটাই আমার ব্রত। জাতির পিতা শেখ মুজিবর রহমান ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছ থেকে আমি এই শিক্ষাই পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু তার জীবনের পুরোটাই মানুষের জন্য দিয়ে গিয়েছেন। তার কন্যা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাংলাদেশের জনগনের জন্য কাজ করছেন। আমি তাদেরই আদর্শের সৈনিক। নেত্রীর ভালবাসা আর আল্লাহর রহমতই আমার পাথেয়।

উল্লেখ্য, সেবামূলক কাজের স্বীকৃতিসরূপ তিনি ও তার ফাউন্ডেশন একাধিকবার বিভিন্ন পদকে ভূষিত হয়েছেন।
বার্তাবাজার/নিমফুল