পাকা ধান মাঠে হেলে পড়েছে। অনেক কষ্টের ধান গোলায় তুলবেন এমন সময়ে এসে ঠেকে যান শ্রমিকের মজুরির কাছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অর্থাভাবে পড়া ক্ষুদ্র কৃষক শ্রমিক দিয়ে ধান কাটাতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে ‘কুর্শিপাড়া পাড়া একতা ক্রীড়া সংগঠন’ নামের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
করোনা ভাইরাসের কারনে শ্রমিক সঙ্কট ও আর্থিক যোগান দিতে না পেরে উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের কুর্শিপাড়া গ্রামের কৃষক মাহাতাব উদ্দিন নিজের পঞ্চাশ শতক জমির পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না। এমন খবর পেয়ে কুর্শিপাড়া পাড়া একতা ক্রীড়া সংগঠনের সদস্যরা কৃষকের ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। বুধবার দুপুরে কৃষক মাহাতাব উদ্দিনের ফসল কেটে দেয় ক্রীড়া সংগঠনটি। তরুণ শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগকে সাদুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
কৃষক মাহাতাব উদ্দিন বলেন, ‘‘কুর্শিপাড়া পাড়া একতা ক্রীড়া সংগঠনের সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমে আমার ৫০ শতাংশ জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। এতে আমার অনেক উপকার হয়েছে। এই বিপদে ছেলেগুলো এগিয়ে না আসলে অনেক কষ্ট হতো।
ক্রীড়া সংগঠনটির সভাপতি শাহ আলম ভুঁইয়া কৌশিক জানান, ‘কৃষক মাহাতাব উদ্দিন টাকার অভাবে জমির পাকা ধান শ্রমিক দিয়ে কাটতে পারছিলেন না। ওই অবস্থায় তারা উদ্যোগ নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। এভাবেই সংকটে থাকা অন্য কৃষকদের সাধ্যমতো সহযোগিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস