ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জের দুই ইউনিয়নের মধ্যে ৫ ঘন্টাব্যাপি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কুমার নদীর দ্বারা বিভক্ত দুই ইউনিয়নের লোকজনের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায় ৫ ঘন্টা ব্যাপি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। মারাত্মক আহতদের স্থানীয় ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী রাজেশ্বরদী ও ভাজন্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও এলকাবাসী জানায়, সোমবার দুপুরে গাছের আম পাড়া নিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায় প্রতিপক্ষ ভাংগা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের রাজেশ্বরদী গ্রামের লোকজন মুকসুদপুর উপজেলার দিগনগর ইউনিয়নের ভাজন্দী গ্রামের সিয়াম নামে এক কিশোরকে বেদম মারধোর করে। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কুমার নদ দ্বারা দুই ভাগে বিভক্ত প্রথমে দুটি গ্রাম ভাজন্দী ও রাজেশ্বরদী গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরে এ ঘটনা আঞ্চলিকতায় রুপ নিয়ে দুই ইউনিয়ন ঘারুয়া ও দিগনগরের লোকজন এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ৫ ঘন্টা ব্যাপি চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। আহতদের মধ্যে প্রায় ৪০জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে বলে স্থানীয় গ্রাম ডাক্তার জাকির হোসেন জানান। পরে খবর পেয়ে দুই উপজেলা মুকসুদপুর ও ভাংগা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মীর্জা আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থরে গিয়ে দুই থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর