‘চম্পা’ হত্যার আসামী বন্দুক যুদ্ধে নিহত

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সিএনজিতে গলা কেটে চম্পা বেগম (১৮) নামের তরুণীকে হত্যায় জড়িত প্রধান আসামী সাজ্জাদ হোসেব (৩০) পুলিশের সাত্যহে কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) আটকের পর মঙ্গলবার (১২ মে) ভোরে তাকে সাথে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে গেলে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, বন্দুকযুদ্ধে দুই পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে কোনাখালী ইউনিয়নে সাজ্জাদকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে যায় চকরিয়া থানা পুলিশ। কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা এবিসি মহাসড়কের চম্পা খুন হওয়া স্থানে পৌঁছালে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা সাজ্জাদ হোসেনের একদল সহযোগী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। তুমুল সংঘর্ষের একপর্যায়ে সাজ্জাদের সহযোগীরা পিছু হটে। এ সময় সড়কে সাজ্জাদ হোসেনের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে চকরিয়া থানায় নিয়ে যায়।

নিহত সাজ্জাদ হোসেন পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্লাঘোনা এলাকার আবুল হোসেন প্রকাশ পুতুর ছেলে।

পুলিশ জানায়, সাজ্জাদ হোসেনকে সোমবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় জনতা নিজ গ্রাম পেকুয়া সদরের শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকা থেকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে। ওই দিন পেকুয়া থানা পুলিশ সাজ্জাদ হোসেনকে চকরিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর চকরিয়া থানা পুলিশ সাজ্জাদকে নিয়ে মঙ্গলবার ভোরে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে যান।

জানা গেছে, গত ৬ মে সিএনজিযোগে চম্পা চট্টগ্রাম শহর থেকে নিজ বাড়ি কক্সবাজারের খরুলিয়ায় ফিরছিলেন। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চকরিয়া কোনাখালী মরংঘোনা এবিসি মহাসড়কে চলন্ত গাড়ি থেকে ছোড়ে ফেলে দিয়ে নিমর্মভাবে হত্যা করে সাজ্জাদের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান জানান, পুলিশ সাজ্জাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর