ক্রিকেট ছাড়ার আগেই জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মর্তুজা। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নিজ জন্মস্থান নড়াইলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মাশরাফীর পাশাপাশি জাতীয় দলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার সাকিবেরও নির্বাচনে অংশ নেয়ার গুঞ্জন উঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি সেবার নির্বাচনে অংশ নেননি। তবে রাজনীতির প্রতি যে এই অলরাউন্ডারের আগ্রহ বেশ- সেটি তিনি আবারও জানালেন।
সরাসরি রাজনীতির মাঠে নামা নিয়ে এখনই খুব বেশি না ভাবলেও সুযোগ পেলে সেটি অবশ্যই গ্রহন করবেন তিনি। জার্মান সংবাদ মাধ্যম ডয়েচে ভেলের সাথে আলাপকালে সাকিব বলেন, “ এগুলো আসলে সব সময়ের ওপর ছেড়ে দিতে হবে।
ভবিষ্যতে কী হবে তা বলা খুব কঠিন। করোনা ভাইরাস আমাকে এই শিক্ষাটা দিয়েছে যে, আগামীকাল কী হবে তা আমরা কেউ জানি না। তাই এই জায়গা থেকে বলবো যে, খুব বেশি দূরের কিছুতে ফোকাস আমি করতে চাই না।
আমি আগে খেলায় ফিরতে চাই। আর তারপর যদি সুযোগ আসে (রাজনীতিতে যোগ দেয়া/ এমপি হওয়া) তাহলে আমি স্বাগত জানাবো। আর যদি না আসে তাহলেও আমি আফসোস করব না।”
২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নেয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত কেন তিনি সরে গেছিলেন সেই রহস্যটাকে রহস্য রাখতে চাইলেন এই অলরাউন্ডার।
“কিছু জিনিস আসলে গোপনীয়তার মধ্যে রাখাই ভালো। অল্প কিছু বিষয় থাকে যা কখনও প্রকাশ পাওয়া ঠিক নয়, এটাও তেমন একটা বিষয়। আমি ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসলেও এটা গোপন থাকবে, না আসলেও গোপন থাকবে। এটা এমনই একটা সিক্রেট, যেটা আমি চাই না কেউ কখনও জানুক।” যোগ করেন সাকিব।
মাঠের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের বাইরেও আরেকজন অলরাউন্ডার সাকিব। দারুণ সব টিভি কর্মাশিয়ালে অভিনয়, একাধিক ব্যবসা সামলে আগামীদিনে সাকিবকে হয়তো রাজনীতির ময়দানেও ছড়ি ঘোরাতে দেখা যাবে।
কেএ/বার্তাবাজার