করোনা টেস্টে কুইক টেস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে: জি এম কাদের

দেশে উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষা করা যেতে পারে। অথবা বিদেশ থেকে আমদানি করে হলেও কুইক টেস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

সোমবার (১১ মে) এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরমর্শ অনুযায়ী যে পদ্ধতিতে করোনাভাইরাসের টেস্ট করা হচ্ছে তাতে শতভাগ সঠিক ফলাফল দিচ্ছে না। নমুনা সংগ্রহ থেকে বিভিন্ন কারণেই সঠিক ফলাফল আসছে না। সে ক্ষেত্রে কুইক টেস্টিং হলে পরীক্ষার ফলাফল ভালো হবে। করোনা মোকাবিলায় দেশে কুইক টেস্টিং জরুরি হয়ে উঠেছে। দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হলে, রোগীর চিকিৎসায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন চিকিৎসকরা।

তিনি দেশে চলমান পরীক্ষা-নিরীক্ষার সমালোচনা করে বলেন, টেস্ট করতে তিন দিন সময় লাগে আর রেজাল্ট পেতে সময় লাগে আরও সাত দিন। দেখা যায় ১০ দিনে রোগী মারা যাচ্ছে। তাই দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে করোনা রোগীর চিকিৎসা দেয়ার বিকল্প নেই।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জানান, করোনা মোকাবিলায় আরও বেশি চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ দিতে হবে। করোনা চিকিৎসায় আরও হাসপাতাল নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে বেসরকারি খাতকে আরও উৎসাহ দিতে হবে। প্রয়োজনে করোনা চিকিৎসায় বেসরকারি খাতকে প্রণোদনা দিতে হবে সরকারের পক্ষ থেকে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। ভারতের থেকে তিনগুণ এবং চীনের চেয়ে আটগুণ বেশি ঘনবসতি আমাদের দেশে। আবার একটি ঘরে ৮-১০ জন বসবাস করে। তারা একটি বাথরুম ব্যবহার করে। এমন বাস্তবতায় আইসোলেশন পুরোপুরি কঠিন বিষয়। এমন অবস্থায় ভাইরাস ছড়াবে আবার চিকিৎসায় রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে।

জাতীয় পার্টি চেয়াম্যান বলেন, সরকার লকডাউনকে সীমিত করেছে এটা সঠিক সিদ্ধান্ত। কারণ দেশের পাঁচ কোটি খেটে খাওয়া মানুষকে তিনবেলা খাবার ও ওষুধ দিয়ে লকডাউন সফল করা সম্ভব নয়। সীমিত সম্পদের দেশে পরোপুরি লকডাউন সফল হবে না।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর