প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে উপসর্গ নিয়ে নড়াইলে এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তার মরদেহ ঘরে রেখেই স্ত্রী ও সন্তানরা পালিয়ে যায়। কালিয়া উপজেলার বড়দিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনরা পালিয়ে যাওয়ায় রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমুল হুদা নিজেই ঘর থেকে মৃতের লাশ বহন করে বের করে চিতায় সৎকারের ব্যবস্থা করেন।
এলাকাবাসী জানায়, মৃত ওই ব্যাক্তি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ডের চাকুরি করতেন। ঢাকা থেকে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে দু’দিন আগে বাড়িতে আসেন। এরপর আলাদা রাখা হয় বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরীকে। শনিবার রাতে তিনি মারা যান। রোববার (১০ মে) সকালে বাড়ির লোকজন তার মৃত্যুর বিষয়টি টের পেলে স্বজনরা পালিয়ে যায়।
পরে ইউএনও লাশ চিতায় সৎকারের ব্যবস্থা করলে আত্মগোপনে থাকা মৃত ব্যাক্তির ছেলে বাবাকে দাহ করার সময় সম্মুখে আসেন। তবে স্ত্রী ও মেয়েসহ অন্য স্বজনরা আসেননি।
কালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমুল হুদা বলেন, পরিবারের কেউ এগিয়ে না আসায় নিজে কাঁধে করে মৃত বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরীর সৎকারের ব্যবস্থা করেছি। এ কাজে সাংবাদিক ফসিয়ার রহমানসহ আরো তিনজন সহযোগিতা করেন। এছাড়া বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরীর করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস