শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে করোনা দুর্যোগে গৃহবন্ধী ১১ হাজার ৩ শ ১৫ পরিবারকে ৮ মে (শুক্রবার) পর্যন্ত বিশেষ ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
যার মধ্যে রয়েছে- ১৩৫.৯৪ মেট্রিক টন চাল,১৬.২৯৬ মেট্রিক টন আলু,৪.১০০ মেট্রিক টন মুসুর ডাল,৫.০২ মেট্রক টন পিয়াজ,৪শ লিটার সয়াবিন তেল,৬৫০ কেজি রশুন ও ২ শ ৩৮ কেজি শুকনা মরিচ,শিশুদের জন্য ৫৬৯ কেজি চিনি, ২২৭.৬ কেজি প্যাকেট দুধ,২৮৫.৫ কেজি প্যাকেট সুজি।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান,৬ টি ধাপে উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার মোট ১১ হাজার ৩ শ ১৫ পরিবারের মাঝে এসব ত্রান দেয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ৭ শ পরিবারকে, পরিবার প্রতি চাল ১০ কেজি,আলু ৫ কেজি, মুশুর ডাল ২ কেজি, সাবান ১ টি করে। ২য় ধাপে ৮ শ পরিবারকে, পরিবার প্রতি চাল ১০ কেজি,আধা কেজি পিয়াজ,তেল আধা লিটার,সাবান ১ টি করে।
৩য় ধাপে ৯ শ ৫০ পরিবারকে ১০ কেজি চাল,২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল,আধা কেজি পিয়াজ, ২ শ ২৫ গ্রাম রশুন। ৪র্থ ধাপে ১ হাজার ৫০ পরিবারকে,চাল ১০ কেজি,আলু ২ কেজি, ডাল ১ কেজি, পিয়াজ আধা কেজি,রশুন ২২৫ গ্রাম। ৫ম ধাপে ১ হাজার ৫ শ ৫০ পরিবারকে ১০ কেজি চাল,২ কেজি আলু, আধা কেজি ডাল,আধা কেজি পিয়াজ ও ২৫০ গ্রাম রশুন এবং ৬ষ্ঠ ধাপে ৫ হাজার ৬ শ ৯৬ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি চাল ১৫ কেজি,আলু ১ কেজি,পিয়াজ আধা কেজব করে দেয়া হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ বলেন, সরাকারের ধারাবাহিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর যেমন ভিজিড, ভিজিএফ, বয়স্ক, বিধবা, মাতৃত্বকাল ভাতার পাশা পাশি বিশেষ বরাদ্য হিসেবে ৬ ধাপে উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার মোট ১১ হাজার ৩ শ ১৫ পরিবারের মাঝে ত্রাণ দেয়া হয়েছে।
যার মধ্যে রয়েছে ১৩৫.৯৪ মেট্রিক টন চাল, ১৬.২৯৬ মেট্রিক টন আলু, ৪.১০০ মেট্রিক টন মুসুর ডাল, ৫.০২ মেট্রক টন পিয়াজ,৪শ লিটার সয়াবিন তেল, ৬৫০ কেজি রশুন ও ২ শ ৩৮ কেজি শুকনা মরিচ,শিশুদের জন্য ৫৬৯ কেজি চিনি, ২২৭.৬ কেজি প্যাকেট দুধ,২৮৫.৫ কেজি প্যাকেট সুজি। সরকারের পাশাপাশি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ২৪ হাজার পরিবাকে, শরীয়তপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য ৪ হাজার পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে। এর সাথে সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভা মেয়র ও ব্যক্তিগতভাবে কয়েক ধাপে ত্রাণ দিয়েছে। এ ছাড়া উপজেলায় প্রশাসন ফোন দিলেই খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া কর্মসূচী চলমান রাখা হয়েছে।
বার্তা বাজার/এম.সি