ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার কাঠগড়া পশ্চিমপাড়ার পপুলার হাউজিং এর জি-ব্লকের, ১৬৮/১ হোল্ডিং নাম্বার প্রদত্ত বাড়ির মালিক সিরাজুল ইসলামও তার স্ত্রী সামছুর নাহার তার মেয়ে সাথী আক্তারের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে এমন একটি অভিযোগ পেয়ে গত ৩ মে, ২০২০ তারিখে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ ও ইংরেজি দ্য ডেইলি ট্রাইব্যুনাল পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ মামুন মোল্লা তথ্য সংগ্রহে যান।
এসময় অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাথী আক্তারের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন এবং সংবাদকর্মীকে সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দেন।

এরই ধারাবাহিকতায় আলোকিত বাংলাদেশ ও ইংরেজি দ্য ডেইলি ট্রাইব্যুনাল পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ মামুন মোল্লা আশুলিয়া থানায় শুক্রবার (৮ মে) সাথী আক্তারের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (নং- ৩২৭, তাং- ০৮/০৫/২০২০) করেন।
এব্যাপারে, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ ও ইংরেজি দ্য ডেইলি ট্রাইব্যুনাল পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ মামুন মোল্লা জনান, অভিযোগের ভিত্তিতে একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করতে গেলে সাথী আক্তার আমাকে নানান প্রকার কটুকথা বলেন ও আমাকে সন্ত্রাসী বলে অাখ্যা দেন এবং বর্তমানে তিনি বিভিন্ন ভাবে আমার সম্মান হানির চেষ্টা চালাচ্ছেন।
একারণে আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি অর্থাৎ সম্মান রক্ষার্থে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছি।(জিডি নং-৩২৭, তারিখ- ৮ মে, ২০২০)
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সামছুর নাহার আমাকে অভিযোগ করেছিলেন বিধায়ই আমি গত ৩ মে তাদের বাসায় বিষয়টি জানতে যাই। ওই দুইজন তখন আমাকে জানান, তাদের মেয়ে মাঝে-মধ্যেই তাদেরকে মারধর করে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়। কেন সে এমন করে তা জানিনা, শুধু তাই নয় তাদের ছোট ছেলের গর্ভবতী বউ সাথীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এ বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। সাথীর অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে এ গ্রামের মোড়ল মহিউদ্দিন পালোয়ান ও সাংবাদিক (মামুন মোল্লা)কে আমরাই ডেকে এনেছি।
এসময় ওই পিতামাতা সাংবাদিক মামুন মোল্লাকে আরও জানান, তাদের মেয়ে যেন তাদের স্বামী-স্ত্রীকে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি করতে পারে এজন্য ঢাকার পল্লবী থানায় এবং আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরী করেছি (পল্লবী থানার জিডি নং-৪৮, তাং-০২/০৫/২০২ ০ইং এবং আশুলিয়া থানার জিডি নং-৭৭, তাং-৩/৫/২০২০ইং)
তবে মুঠোফোনে অভিযুক্ত সাথী আক্তার এই প্রতিবেদকের নিকট অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, আমার বাবা-মায়ের সাথে ঝগড়া হোক বা যাইহোক, এটা আমাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এখানে সাংবাদিকের কাজ কি? আর সাংবাদিক মামুন মোল্লা দলবল নিয়ে এসে আমার বাসায় আমাকে আটকে রেখেছিলো, আমি দরজা-জানালা বন্ধ করেছিলাম এবং বাইরে বের হতে না পারায় তখন ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ এসে আমাকে রক্ষা করে।
তবে মুঠোফোনে সাংবাদিক মামুন মোল্লার কাছে সাথী আক্তারের ওই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দলবল নিয়ে যাবো কেনো? ওই মহিলার বাবা-মায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তাদের থেকে পেয়েই গত ৩ মে বিকালে তাদের বাসায় যাই আমি। আর তখন গার্মেন্টস ছুটি হওয়ায় বিষয়টা জানতে পেরে ওখানে বসবাসরত গার্মেন্টস শ্রমিকেরা কৌতুহলী হয়ে ভিড় জমায়। এই ভিড়কেই সাথী আক্তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করতে আমি এদের সবাইকে এনেছি এমন মুখরোচক গল্প বানিয়েছে।
এব্যাপারে, মুঠোফোনে সাধারণ ডায়েরি নং-৩২৭ এর তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক আল মামুন কবির এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জিডি এন্ট্রি হলেও আমার কাছে এখনও ইস্যূ হয়নি। ইস্যু হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কেএ/বার্তাবাজার