বৃদ্ধা মায়ের মুখে হাসি ফোঁটালেন ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক শামীম

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কাছে গোটা বিশ্ব যেন হার মেনেছে। বিশ্বে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ করোনাশনাক্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুবরণ করছেন।

বিশ্ববাসী এখনো আশার আলো খুঁজে পায়নি। যতটা নিজেদের ঘর বন্ধি রাখা যায় এতে কিছুটা হলেও সংক্রামিত কম হবে এমনটাই ধারণা সবার। তাই দেশের মানুষকে ঘর বন্ধি করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করছেন সরকার।

তাই দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন পুলিশ প্রশাসনকে সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসন। প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার বাজার তদারকি করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে বের হয় জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক শামীম হাসান।

তার উদ্দেশ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দাম বেশি নিয়ে যেন ভোক্তাদের বেপাকে না ফেলে সেজন্য পন্যের দাম সঠিক রাখার জন্য বাজার মনিটরিং করা।

গোপালগঞ্জে বাজার মনিটরিং শেষে নিজের বাসার জন্য ফল কিনছিলো এমন সময় দেখতে পায় একজন বৃদ্ধা মা ভিক্ষা করছিলো বাজারের দিয়ে। এসে উপস্থিত হয়ে বলে, ‘‘আমি রোজা রাখি কিন্তু বাবা এবার ফল কিনে খাব সে সামর্থ্য নেই, এবার এ শুনি এত তরমুজ মাঠে পচে যায় কিন্তু কেউ আমাকে দেয় না।’’

জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক শামীম হাসান বলেন, ‘‘আমি যখন ওই বৃদ্ধা মাকে কিছু জিজ্ঞেস করবো তার আগেই তার অসহায়ত্বের কথা বুঝতে পেরেছিলাম। তাই তাকে আর বিভিন্ন প্রশ্ন করে লজ্জা দেয়নি। নিজের পরিবারের জন্য একটি ফল কম কিনে মায়ের বয়সী এই অসহায় বৃদ্ধা কে ফল কিনে হাতে তুলে দিলাম তখন তার অভিব্যক্তি হাসি তার সাথে প্রাণ ভরে দোয়া। আজ মনে হয়েছে পৃথিবীতে কিছু করেছি এবং তার জন্য উপহার সরুপ তার মুখের হাসির সাথে তাঁর দেয়া দোয়াটাই আমি জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার হিসাবে পেলাম। সামান্য একটা ফল কিনে দিয়ে মুখে যে হাসি ফুটাতে পেরেছি তা কোটি টাকা দিয়েও শোধ করা যাবেনা ‘’

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর