চশমা-টুপি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মাইকিং করে দু’গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ৫০

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চশমা ও টুপি নিয়ে কাড়াকাড়ির জের ধরে দুই গ্রামের লোকদের দফায় দফায় সংঘর্ষে ৫০ জনের মত আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৬ মে) বিকালে ও রাতে দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের ঘিলাছড়া ও নরসিংপুর গ্রামবাসীর মধ্যে একদিনে দুইবার ও পরদিন বিকালে আবার সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটেছে।

দ্বিতীয় দিন সংঘর্ষের খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

জানা যায়, বুধবার বিকাল ৩টার দিকে ঘিলাছড়া গ্রামের কুতুব উদ্দিন ও একই গ্রামের নাসিরের সাথে নরসিংপুর গ্রামের আবুল হাসনাতের টুপি ও চশমা নিয়ে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় আহত হয় হাসনাতসহ কয়েকজন। ঘটনা মীমাংসা করতে রাত ৮টায় দু’পক্ষের শালিস বসলে আবার তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তখনও ১০/১২ জন আহত হয়।

পরদিন বিকাল ৪টার দিকে দুই গ্রামের লোকজন মাইকিং করে বাহিনী গঠনের মাধ্যমে পাথর, কাচের বোতল, লাঠিসোটা, ইটপাটকেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ঘণ্টাব্যাপী চলা তুমুল সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাশেম বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩০ রাউন্ড রবার বুলেট ছোড়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই দুই গ্রামে পুলিশের মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি আপসে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এলাকার বিশিষ্টজনরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর