কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ক্রয়কৃত জমিতে ঘর নির্মাণ করতে বাধাঁর সম্মুখীন হয়ে, ঝুপরি ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছে জমি গ্রহীতা আলি আজগর। ঘটনাটি তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের চাঁন্দ নাগেরচর গ্রামে।
আজ সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের মৃত আঃ রহিমের ছেলে মো. আলী আজগর একাই ইউনিয়নের চাঁন্দ নাগেরচর গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে আমির হোসেন ও জাকির হোসেনের কাছ থেকে আনুমানিক একবছর পূর্বে চাঁন্দ নাগেরচর মৌজার জেল.এল. নং-এস.এ-১২৩ নং, বি .এস.নং-৮৫, খয়িান নং- বি.এস.চুড়ান্ত নং-২৮। সি.এস/এস.এ-১৮৪ দাগের বি.এস-১৭৪ দাগের নাল ২১ (একুশ) শতক ভূমি ৬,৩০,০০০/= (ছয় লক্ষ ত্রিশ হাজার) টাকা মুল্য ধার্য্য করে স্বাক্ষিগণের উপস্থিতে ৪,৫০,০০০/= (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার)টাকা পরিশোধ করে বায়না পত্র দলিলের মাধ্যমে গ্রহিতা আলী আজগর জমির মালিক হন।
উক্ত বায়না পত্র দিলেলে উল্লেখ আছে যে দাতা আমির হোসেনের ছোট ভাই জাকির হোসেন প্রবাস থেকে দেশে আসলে বাকী ১,৮০,০০০/=(এক লক্ষ আশি হাজার) টাকা নিয়ে তফছিল বর্নিত ভূমি গ্রহিতা আলী আজগরকে সাফ কাবলা দলিল রেজিষ্ট্রি করে দিবে। কিন্তু তা না করে আলী ্জগর জমিতে বালু ভরাট করে ঘর নির্মাণ করতে গেলে বাধাঁ দেয় দাতা আমির হোসেন, এর ফলে আলী আজগর তার পরিবার নিয়ে এক ঝুপরি ঘরে মানবেত জীবন যাপন করছে।
আলী আজগরের স্ত্রী জোসনা বেগ (৪৮) তিতাস উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. পারভেজ হোসেন সরকারের দৃষ্টি আর্কষন করে বলেন আমি হক টাকা দিয়ে জমি কিনেছি অনেক কষ্ট করে বালু ভারাট করে ঘর তুলতে গেলে আমির হোসেন বাধাঁ দেয়,এতে আমি আমার স্বামী ছেলে মেয়ে ও নাতি নাতনিদের নিয়ে এই ঝুপরি ঘরে খুব কষ্টে আছি, আরো বলেন শুনতেছি আমাদের চেয়ারম্যান সাহেব অনেক ভালো মানুষ ওনি যদি হক বিচার করে দিয়ে আমার যায়গাটা বুঝিয়ে দেয় তাহলে আমি ঘরটা উঠাতে পারব।
এদিকে আমির হোসেন বলেন আমি সাড়ে দশ শতক জমি বিক্রি করেছি,আলী আজগর আমার সাথে প্রতারনা করে বায়না পত্র দলিলে একুশ শতক লিখেছে। অপর দিকে আমির হোসেনের ছোট ভাই প্রবাস থেকে মোবাইলে সাংবাদিকদের বলেন আমি জমি বিক্রি করি নাই। ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক মিঞা সরকার বলেন আলী আজগর বায়না পত্র দলিল মূলে একুশ শতক জমির মালিক। আমিরগং যদি পুরো জমি না দেয় তাহলে লকডাউন শেষ হলে আমরা শালিস বৈঠকে বসে বিচার করে দিব।
বার্তা বাজার/এম.সি