কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ঐতিহ্যবাহী কাপড়েরর হাটের ব্যবসায়ীরা সরকারী বিধিবিধান না মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে ফরজের আযান থেকে শুরু করে বেলা ১১টা পর্যন্ত গোপনে এই হাটে কাপড় বেচাকেনা করছে।
এখানে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বাবরহাট, গাউছিয়া থেকে প্রায় শতাধিক কাপড় ব্যবসায়ী প্রতি বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার এই হাটে ব্যবসা করতে আসে। তারা এই তিন দিন পোড়াদহ কাপড় হাটে অবস্থান করে।
এদিকে হাটের সাধারণ ব্যবসায়ীরা ও হাটের আশপাশের লোকজন করানো ঝুঁকিতে আক্রান্ত হতে পারে বলে তারা আশংকা করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কাপড় ব্যবসায়ী জানান, প্রতিদিন ভোরবেলা থেকে বেলা ১০ থেকে ১১টা পর্যন্ত পোড়াদহ কাপড় হাটে বেচাকেনার ব্যাপক ভীড় জমে। পোড়াদহের পার্শ্ববর্তী আহমদপুর পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বরত ইনচার্জ ও এএসআই ভোরবেলা থেকে এই কাপড়েরর হাটে অবস্থান করে। পুলিশকে ম্যানেজ করে তারা এই হাট পরিচালনা করছে। সরকারী বিধি মোতাবেক হাট বন্ধ থাকার কথা থাকলেও এই হাটের ইজারাদাররা নিয়মিত ইজারা আদায় করছেন। গতকাল সকালে দেখা যায়, হারু মোড় থেকে পোড়াদহ কাপড় হাট পর্যন্ত অপেক্ষারত কাপড় বোঝায় পিকআপ ও ট্রাকের দীর্ঘ লাইন ।
এই হাটে প্রায় ৩০ হাজার লোকের অবস্থান দেখা যায়। এছাড়াও এই পোড়াদহ কাপড় হাটে নাটোর, রাজবাড়ী, চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, গাংনী ও পাবনা থেকে শতাধিক ব্যবসায়ীরা পাইকারী কাপড় কিনে আসে।
শুধু তাই নয়, পোড়াদহ হাটের কাপড় ব্যবসায়ীরা নারায়গঞ্জ, ঢাকা, বাবরহাট ও গাউছিয়া মার্কেটে ৩/৪ দিন অবস্থান করে তারা কাপড় কিনে আনে। এভাবে দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ দিন রাতের আঁধারে এই হাট চলছে পুলিশকে ম্যানেজ করে।
এভাবেই প্রাণঘাতি করোনা আক্রান্তের আশংকার ঝুঁকিতে ভুগছে এলাকবাসী ও সাধারণ কাপড় ব্যবসায়ীরা । এর থেকে পরিত্রাণ পেতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও সাধারণ কাপড় ব্যবসায়ীরা।
বার্তা বাজার/এম.সি