মেহেরপুরের গাংনীতে হামলার ঘটনায় মামলার বাদীকে হুমকি

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামে মসজিদের ঈমামকে ইফতার দেয়াকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দু’জন মুসল্লি আহত হয়েছেন।

আহতের পরিবারের লোকজন হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এ মামলা তুলে নিতে বাদীকে প্রতিপক্ষরা হুমকি অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও আহতদের ফাঁসাতে মিথ্যা আহতের অভিনয় করে উল্টো আহতের নামে মামলা করেছে প্রতিপক্ষরা।

গত রোববার দুপুরে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,বেতবাড়িয়া নতুন পাড়া জামে মসজিদের ঈমামকে ইফতার দেয়ার জন্য মুসল্লিরা রোববার জোহর নামাজ শেষে মসজিদে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এসময় ঈমামকে ইফতার দেয়ার বিষয়ে একটি তালিকা তৈরী করা হয়। তালিকা অনুযায়ী মুসল্লি তাইজেলকে ১০০জনের ইফতার দেওয়ার জন্য শিলন ও মিল্লাল চাপ প্রদান করেন। তাইজেল গরীব ও অসহায় হওয়ায় ইফতার দিতে অপরাগত প্রকাশ করেন।

এনিয়ে তাইজেল ও শিলন আলীর মধ্যে বাকবিতন্ডায় সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে শিলন তার লোকজন নিয়ে তাইজেলকে হামলা করলে,গুরুতরভাবে আহত হন। এসময় হামলাকারীদের ঠেকাতে গিয়ে মুসল্লি সোলাইমান হোসেন হামলার শিকার হয়ে আহত হন।

খবর শুনে কাজীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিহীম হোসেন পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসলে,শিলন আলী ও তার লোকজন তাকেও হামলা করেন। এসময় আলিহীম নিজেকে রক্ষার্থে শিলনকে ধাক্কা মারেন।

পরে আহত তাইজেল ও সোলাইমানকে উদ্ধার গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন যুবলীগ নেতা আলিহীম হোসেন। এসময় সোলাইমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে আহত তাইজেল ও সোলাইমান এবং আলিহীমকে ফাঁসাতে শিলন ও তার পক্ষের কয়েকজন আহতের অভিনয় করে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেন।

এবং আহত দেখিয়ে যুবলীগ নেতা আলিহীমসহ ৮জনের নামে গাংনী থানায় একটি মামলা করেন। এদিকে আহত সোলাইমানের পরিবারের পক্ষ থেকে শিলনসহ ৭জনের নামে গাংনী থানায় মামলা করেছে। মামলা হওয়ার পরপরই আসামী শিলনসহ তার লোকজন সোলাইমানের লোকজনকে হুমকি অব্যাহত রেখেছেন।

বার্তাবাজার/কেএ

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর