শিমুলিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল

দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেই মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল। এখন গার্মেন্টস কর্মীদের থেকেও বেশি সাধারণ যাত্রী। গত ১০ দিনের যাত্রীর ঢলকেও হার মানিয়েছে বৃহস্পতিবারের (৭ মে) ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ।

শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরিতে করে আসছে শত শত ঢাকামুখী যাত্রী। শপিং মল ও মার্কেট খুলে দেয়ার ঘোষণায় এসব যাত্রীরা দক্ষিণবঙ্গের নিজ বাড়ি হতে লকডাউন ভেঙে ঢাকামুখী হতে শুরু করেছেন। প্রতিটি ফেরিতেই শত শত লোক পার হয়ে আসছে শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে। এখানে এসেও যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই যানবাহনের স্ট্যান্ডগুলোতে। ফেরিতে যেমন চাপাচাপি আর গাদাগাদি করে শিমুলিয়া ঘাটে এসেছেন এখানে এসেও একই অবস্থা যানবাহনের জন্য।

সংগৃহীত

বাস না থাকায় অটোস্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ঢাকা যাওয়ার জন্য তারা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। তবে বাস না পেয়ে আজও আটো, টেম্পু, নসিমন, করিমন, মাইক্রো, থ্রি হুইলার, ইয়েলো ক্যাব, রেন্ট-এ-কার ও শত শত মোটরসাইকেলে এসব যাত্রীদের ঢাকায় ফিরতে দেখা গেছে।

উবার বন্ধ থাকায় উবারের মোটরসাইকেলগুলো এখন শিমুলিয়া ঘাট থেকে ঢাকায় প্রতিনিয়ত অফলাইনে যাতায়াত করছে। যারা সিঙ্গেল যাত্রী তারা মোটরসাইকেলে ঢাকায় চলে যাচ্ছেন। তবে এ পথে ঢাকায় যেতে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হচ্ছে।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সিরাজুল কবির বলেন, ঘাটে সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল দেখা গেছে। গার্মেন্টস কর্মীদের হার মানিয়েছে আজ সকালের যাত্রীর চাপ। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এখন ছুটছে ঢাকার কর্মস্থলে। করোনার কোনো ভয় নেই তাদের মাঝে। মনে হচ্ছিল ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে তারা স্বজনদের কাছে ছুটছেন।

বিআইডাব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে দিনে চার থেকে পাঁচটি ও রাতে সাত থেকে আটটি ফেরি চলাচল করছে। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেশি দেখা গেছে। প্রতিদিনই যাত্রী বাড়ছে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর