করোনায় জেলখানাগুলোতে অতিরিক্ত চাপ কমাতে সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ে মুক্তি পেয়েছেন ২ জন বন্দি। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো তালিকা মোতাবেক বাড়তে পারে সম্ভাব্য মুক্তির তালিকা।
ইতোমধ্যে পর্যায়ক্রমে লঘু সাজাপ্রাপ্ত দুইজন কয়েদি বন্দি ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগার কতৃপক্ষ।
মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- ঠাকুরগাঁও সদরের ফকির পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ পলাশ । তিনি চুরির মামলায় ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন। অপরজন হলেন মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ঠাকুরগাঁও শহরের কলিবাড়ি এলাকার সফিকুল ইসলাম দানি । তাদের মধ্যে পলাশ ৮ মাস ও সফিকুল ৪ মাসের সাজা ভোগ করেছেন।
ঠাকুরগাঁয়ের জেল সুপার মোঃ জাবেদ মেহেদী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ (কারা-২) শাখার ২৯ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১(১) ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার কর্তৃক আমরা বিভিন্ন মেয়াদে লঘু সাজাপ্রাপ্তদের তালিকা করে মুক্তির প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। প্রস্তাবিত তালিকার সবাই পুরূষ। প্রাথমিকভাবে সরকার কর্তৃক উল্লিখিত ২ জন বন্দির অবশিষ্ট কারাদন্ড মওকুফ করা হয়েছে। পরবর্তীতে মুক্তির নির্দেশ প্রদান করে আরও কিছু কয়েদি বন্দির নাম আসতে পারে।
উল্লেখ্য, করোনার কারণে সরকার লঘুদণ্ড ও ২০ বছরের অধিক সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ে মুক্তি পেয়েছেন ২ জন বন্দি। ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারের ধারণ ক্ষমতা সবমিলিয়ে ১৬৫ জন হলেও বুধবার পর্যন্ত ১৩ মহিলা সহ সেখানে ৩৫৩ জন বন্দি গণনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ।
বার্তা বাজার/এম.সি