টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৬ দিন পর আব্দুল্লাহ আল মামুন আশিক (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে সাড়ে ৫ টার সময় নিহত ছাত্রের বাড়ির পাশে লৌহজং নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যায় বিক্ষুব্ধরা টাঙ্গাইল সদর মডেল থানা ঘোরাও করে। তার এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমির হামজাকে প্রত্যাহার ও হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানান।
জানা যায়, পৌর শহরের কাগমারা এলাকার বাসিন্দা পুলিশে কর্মরত রাশেদুল ইসলামের ছেলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আশিকের বাবা রাশেদুল ইসলাম পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত আছেন।
নিহতের বাবা রাশেদুল ইসলাম জানান, কয়েক মাস আগে থেকে প্রতিবেশি এক মেয়ের সাথে তার ছেলে আশিকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। আশিক ওই মেয়ের সাথে কথা বলার জন্য তাকে একটি মোবাইল ফোন সেট উপহার দেয়। মেয়ের বড় ভাই বিষয়টি জানার পর আশিককে মোবাইল ফোন ফেরত নিতে তাদের বাসায় ডাকেন। আশিক গত (৩০ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে ওই মেয়ের বাসায় মোবাইল ফোন সেট আনতে যায়। তারপর আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। পরে মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে কাগমারা লৌহজং নদীতে একটি লাশ ভেসে উঠে। পরে স্থানীয়রা সদর থানা পুলিশকে খবর দেয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, নিখোঁজ আশিকের মরদেহ বাড়ির পাশে লৌহজং নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে বিকাল পৌনে ৫ দিকে কাগমারা লৌহজং নদীর পানার নিচ থেকে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে লাশটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বার্তা বাজার/এম.সি