করোনায় ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল: দোষ শিকার কর্তৃপক্ষের

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে দিনাজপুরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক গ্রাহক। তবে অভিযোগের বিষয়টি শিকার করেছেন দিনাজপুরের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ অভিযোগ শিকার করে বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের মিটার রিডাররা মাঠে যেতে পারেনি। এজন্যই গত মার্চ মাসের বিদ্যুৎ বিল তার পূর্বের মাসের হিসেবে আনুমানিক বসিয়ে বিল তৈরি করেছেন। এজন্যই এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে গত কয়েক মাসের তুলনায় গত এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিলে টাকার পরিমাণ অনেক বেশি বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক গ্রাহক।
দিনাজপুর শহরের ছোটগুড়গুলা এলাকার মো. হাসান আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘গত কয়েক মাসের তুলনায় এবার এত বেশি পরিমান বিদ্যুৎ বিল এসেছে যা দেখে অবাক হয়েছি। আমাদের বাসায় ভাড়াটিয়ারা এই বিদ্যুৎ বিল দেখে আতঙ্কিত হবার মত অবস্থা। যে বিদ্যুৎ বিল অন্য মাসের তুলনায় ৩০০ টাকার বেশি আসার কথা নয় সেই বিদ্যুৎ বিল এবার সাড়ে ১২ শত টাকা আসছে।’

একই এলাকার আরেকজন গ্রাহক নাম প্রকাশে অনিচ্ছা সত্তে¡ বলেন, ‘এবার বিদ্যুৎ বিলের মিটার রিডিং না দেখেই বিল করা হয়েছে। এতে অনুমান নির্ভর বিল করে আমাদের পূর্বের বিলের হিসেবে বিল দেয়া হয়েছে। আবার মিটারের ইউনিট হিসেব করে দেখা যায়, যে মাসের বিল দিয়েছে তার পরের মাসের ১০ থেকে ১৫ দিনের বিল বেশি দিয়ে ফেলেছে। এতে মূল বিলের থেকে অনেক বেশি বিদ্যুৎ বিল এসেছে।’

এ বিষয়ে দিনাজপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে এবার এমনটা হয়েছে। আমরা বিষয়টি শিকারও করছি। আমাদের মিটার রিডারে যারা কাজ করেন তারা বাইরে বের হতে পারেননি। তাই মার্চ বা এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ বিল তার আগের মাসের হিসেবে একটা অনুমান নির্ভর করে বসানো হয়েছে। তবে আগামী মে অথবা জুন মাসে বিল স্বাভাবিক আসবে। আবার যে মাসের বিল বেশি আসছে সেই মাসের বিল পরের মাসের সাথে সামঞ্জপূর্ণ করে সমান করা হবে। এতে গ্রাহকদের দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সব আগের মতই চলবে।’

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর