শিশু স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গণধোলাই দেয়া হয়েছে সোলায়মান শাহ (৫০) নামের এক গ্রাম ডাক্তারকে। ধোলাই শেষে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে উত্তেজিত গ্রামবাসী। শনিবার (২ মে) দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কুঞ্জবন গ্রামে।
গণধোলাইয়ের শিকার সোলায়মান চাঁদপুরের মতলব উপজেলার হযরত আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুঞ্জবন গ্রামে ফার্মেসীর ব্যবসা করে স্থানীয়দের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।
আর নিপীড়নের শিকার শিশুটি উত্তরপাড়া মাদ্রাসা সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
লালসা শিকার শিশুর মা বলেন, মেয়ের শরীরে এলার্জি দেখা দেওয়ার কারনে শনিবার দুপুরে তাকে নিয়ে বাড়ির পাশে ওই গ্রাম ডাক্তারের দোকানে নিয়ে যাই। তখন ডাক্তার ব্যস্ত থাকায় তিনি মেয়েকে সেখানে রেখে বাড়ির উঠানে শুকাতে দেয়া ধান দেখভাল করতে থাকেন। এ সুযোগে ওই গ্রাম ডাক্তার তার মেয়েকে ঘরে নিয়ে বিস্কুট খেতে দিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা করে।
মেয়ে ডাক্তারের ঘর থেকে বেড়িয়ে এসেই তাকে সব খুলে বলে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধরা তাকে ধরে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। ওই মেয়ের মা জানান, এ ব্যাপারে তিনি মামলা করবেন।
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ লুৎফর রহমান জানান, শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এলাকাবাসী এক গ্রাম ডাক্তারকে আটক করে আমাদের খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয়রা ওই চিকিৎসককে আমাদের কাছে সোপর্দ করে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলেই মামলা নেয়া হবে।
বার্তাবাজার/এসজে