প্রথমবারের মতো করোনার প্রভাবে বন্ধ সব বিপনী প্রতিষ্ঠান। দেশে রয়েছে ছোট-বড় প্রায় ৫ হাজার ফ্যাশন হাউজ। বেচাকনা বন্ধ থাকায় ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা।
রমজানে বিক্রির লক্ষ্যে পণ্য মজুদ করলেও লোকসানের শঙ্কায় আছেন দোকান মালিকরা। ক্ষতির শঙ্কায় আছেন এ খাতে জড়িত অন্তত ৫ লাখ মানুষ।
ফ্যাশন এন্টারপ্রেইনার অ্যাসোসিয়েশন বলছে, বেচাকেনা বন্ধ থাকায় শুধু পোশাক খাতে ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। বিপর্যয় দেখা দিতে পারে উৎপাদন ও সাপ্লাই চেইনে। করোনায় ভিন্ন রমজানের চিরচারিত রূপ। বদ্ধ ঘরে আবদ্ধ রমজানের প্রস্তুতি। ঈদ বাজার নিয়ে নেই বাড়তি আগ্রহ। মলিন শপিং মলের মরিচ বাতির ঈদ সাজ।
বাংলাদেশ ফ্যাশন অ্যাসোসিয়েশন জানায়, কারিগররা প্রায় শতভাগ পণ্য প্রস্তুত করে ঈদের আগেই। সাধারণ ছুটি ঘোষণার আগেই মজুদ করা হয়েছিল, ক্রয়াদেশের অন্তত ৫০ শতাংশের বেশি পোশাক। সব বন্ধ ঘোষণায় ক্ষতি দাঁড়াবে অন্তত ৫ হাজার কোটি টাকা।
দেশীয় পণ্যের অন্যতম ব্র্যান্ড আড়ং জানান, প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক বাণিজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশই হয় ঈদে। করোনার কারণে বিক্রি বন্ধ থাকলে ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৪’শ কোটি টাকা। ফ্যাশন হাউজের বিক্রি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন, দেশের তাঁতশিল্প ও অ্যাম্ব্রোডারি খাতের উদ্যোক্তা-কারিগররা। পণ্যের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে অনলাইনে বিক্রি বাড়ানোর পরামর্শ এসএমই ফাইন্ডেশনের। এসএমই ফাউন্ডেশনের মতে, স্বল্প পরিসরে ঈদের আগে কিছু দিনের জন্য বিপণন প্রতিষ্ঠানলো খোলার অনুমোদন দিলে এ ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি