কানাডায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৭ বাংলাদেশীও রয়েছে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৫৫ হাজার ৬১ জন। কাবিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে লকডাউন শিথিলের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।
করোনার প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে প্রবাসীরা গৃহবন্দী অবস্থায় অবস্থান করছে। শিক্ষার্থীরা গৃহবন্দী অবস্থায় তাদের পড়াশোনার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে। কানাডা সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী প্রায় সকলেই আর্থিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করেছে। এরমধ্যে কারো আবেদন গ্রহণযোগ্য হয়েছে আর কারোটা বাতিল বলে গণ্য হয়েছে।
একজন বলেন, ‘করোনায় ব্যবসার অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্যের কথা বলা হয়েছে এখনও তা পাইনি।’
ডিসেম্বরে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে বেশিরভাগ দেশই ভাইরাসটিতে তেমন পাত্তা দেয়নি। অনেক দেশই ধারণা করেছিল, এটি চীনা ভাইরাস এবং এর সংক্রমণ হয়তো ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়বে না। এজন্য সেখানকার দেশগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপও নেয়নি। ফলও দিতে হচ্ছে তাদের। কারণ সংক্রমণ সংখ্যার দিক থেকে প্রথম দেশগুলোর তালিকার মাঝেই নেই চীন।
শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের পদক্ষেপ অনেকটা এ রকমই। তবে এর মাঝেও কিছু কিছু দেশ তাদের দেয়া লকডাউন কিছুটা শিথিল করছে। স্পেন, জার্মানি ও ভারত সেই পথে হেঁটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালিও তেমনটাই ভাবছে।
বার্তাবাজার/এমকে