উপজেলা চেয়ারম্যানের হামলায় লন্ডভণ্ড মুরগীর খামার

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুক ও তার দলবলের হামলায় একটি পোল্ট্রি খামার লন্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামের দীনবন্ধু সেনের খামারে শুক্রবার (১ মে) রাতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলা চলাকালীন সময়ে স্থানীয় লোকজন উপজেলা চেয়ারম্যানকে আটক করলে পুলিশ এসে উদ্ধার করেন নিয়ে যায়।

জানা যায়, স্থানীয় খামারি দীবনন্ধু সেন কৃষি ব্যাংক থেকে ২০ লাখ টাকা ও আরও ২০ লাখ টাকা অন্যভাবে ধার করে আড়াই হাজার মুরগীর একটি খামার প্রতিষ্ঠা করে। লাভের মুখ দেখার আগেই এলাকার একটি কুচক্রী মহল এটিকে এখান থেকে সড়িয়ে নেয়ার দাবি জানায়। এ নিয়ে আদালতে মামলাও হয়। এ অবস্থায় আইনের তোয়াক্কা না করে শুক্রবার রাতে জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুকের নেতৃত্বে ওই পোল্ট্রি খামারটিতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার এক পর্যায়ে এলাকাবাসী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুকে আটকে রাখেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর খবর পেয়ে জুড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার ও ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে জনতার হাত থেকে পুলিশ উপজেলা চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে বাড়ী পৌছে দেন এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য সরকারি এম্বুলেন্স দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

খামার মালিক দীনবন্ধু সেন জানান, খামারে হামলার খবর পেয়ে আমি দৌড়ে আসি। তখন উপজেলা চেয়ারম্যান আমার বুকে পিস্তল ধরেন এবং আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন মিলে আমার খামারে ভাঙচুর করে।

এ বিষয়ে জুড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, অনেক দিন ধরে এলাকার কিছু মানুষ এই খামারটি সরানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। অতি উৎসাহী হয়ে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন হামলা করেন। এই ঘটনায় এখনও কেউ মামলা করেনি বলেও ওসি জানান।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর