দীর্ঘ ১৩ বছর ধরেই লকডাউন চলছে গাজায়

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরেই গাজায় লকডাউন চলছে। প্রাণঘাতী করোনা মোকাবিলায় তাদেরকেও এখন লড়তে হচ্ছে হাতিয়ার ছাড়া। ফিলিস্তিনে এখন পর্যন্ত ৩৫৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। এর মধ্যে গাজায় আক্রান্ত আছেন ১২ জন। এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যু নেই।

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য গাজার সম্বল মাত্র ৬৩টি ভেন্টিলেটর এবং ৭৮টি আইসিইউ শয্যা। গাজার যে কয়জন চিকিৎসক আছেন তারা উদ্বিগ্ন। কারণ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এ ভূখণ্ডে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা কঠিন। স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা নেই বললেই চলে।

ফিলিস্তিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ডা. জেরাল্ড রোকেনসেয়াব জানান, গাজায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারেই দুর্বল, তেমন সুযোগ-সুবিধা নেই। তাই এ মুহূর্তে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

এদিকে গাজায় ইউএসএআইডির পক্ষ থেকে সহায়তা দেয়ার কথা থাকলেও সেটি আটকে দেয়া হয়েছে হামাস সুবিধা পাবে এমন কারণ দেখিয়ে। তাই গাজার মানুষ করোনা থেকে বেচেঁ থাকতে নিজেরাই নিজেদের সুরক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছে। মাস্ক তৈরি করছেন কেউ পাতা দিয়ে, কেউ বোতল দিয়ে, অথবা টিন ও কাপড়ের টুকরো দিয়ে। যা দৃষ্টি কেড়েছে বিশ্ববাসীরও।

গাজার স্থল সীমান্তের পাশাপাশি আকাশ ও সমুদ্র পথ সবই বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে মানুষের যাতায়াত ও আমদানী-রপ্তানি পুরোটাই কার্যত অচল। ভয়াবহ দারিদ্র্য ও বেকারত্বের পাশাপাশি মাঝে মোঝেই ইসরায়েলি হামলায় পুরো গাজা একটি মৃত্যু উপত্যকা।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর