হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ক্ষতিকর দিক

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে আগাম সতর্কতা আর পরিচ্ছন্নতাই অন্যতম উপায়। আর সে জন্যই বিশেষজ্ঞরা বার বার ভাল করে সাবান দিয়ে হাত, মুখ ধুতে বলছেন। যেখানে হাতের কাছে জল নেই সে ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ভাল করে জীবানু মুক্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই জন্যই সাম্প্রতিক কালে এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার। অ্যালকোহল সমৃদ্ধ হ্যান্ড স্যানিটাইজারই বেশি ভাল বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুর কোমল ত্বকের জন্য কতটা ভাল এই সব হ্যান্ড স্যানিটাইজার? আসুন জেনে নেওয়া যাক…

হাত জীবানুমুক্ত করতে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ হ্যান্ড স্যানিটাইজারই বেশি ভাল। তবে চড়া রাসায়নিক বা অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার কচি-কাঁচাদের কোমল ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলেই মনে করছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৬০% বা তারও বেশি পরিমাণে অ্যালকোহল থাকে। বার বার হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতে মাখলে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে যায়। শিশুর ত্বকের ক্ষেত্রে তা আরও ক্ষতি করতে পারে।

মার্কিন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের দাবি, স্যানাইটিজারের আরেকটি ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান হল ট্রাইক্লোসেন। এই ট্রাইক্লোসেন ব্যাক্টেরিয়া বা ফাঙ্গাস ঘটিত সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম। এই উপাদানটিকে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেওয়ার জন্য দায়ি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে তাই ট্রাইক্লোসেন-যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাতিল করা জরুরি।

তাহলে বিকল্প কি?

এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হল প্রাকৃতিক স্যানিটাইজারের ব্যবহার। নীম পাতা, অ্যালোভেরার মতো প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি স্যানিটাইজারের ব্যবহার করা যেতে পারে। সাবান দিয়েও শিশুদের ত্বক জীবানুমুক্ত করা যেতে পারে।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর