বরগুনার বেতাগীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকায় অবস্থানরত অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হলেও সেই লাশ বেতাগীতে এনে রাতের আঁধারেই তড়িঘড়ি করে দাফন করার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, সোমবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত আল-বারাকা নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওর্য়াডের জোমাদ্দার বাড়ির বাসিন্দা মো. আমজেদ হোসেন (৭৮) জ্বর, ডায়রিয়া ও গলা ব্যথা নিয়ে মারা যান। তড়িঘড়ি করে বেতাগীতে এনে রাতের আঁধারেই দাফন করা হয়। এ নিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় হাসপাতালের মালিক মো. হেলাল উদ্দিন একই এলকার বাসিন্দা হওয়ায় মৃত্যুর উপসর্গ ও সময় পাল্টিয়ে ভূয়া সার্টিফিকেট তৈরী করে বিভিন্ন চেকপোষ্টে দেখাকে দেখাতে এই মৃত ব্যাক্তির লাশ এলাকায় নিয়ে আসে।
এলাকার একাধিক বাসিন্দা বলেন, সকালে মৃত আমজেদ হোসেনকে বাড়িতে এনে তড়িঘড়ি করে রাতের আঁধারেই দাফন করার বিষয়টি আমাদের সকলের মনে সন্দেহের জোগান দেয়। ঢাকায় খোঁজ নিলে জানতে পারি তিনি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং ২৮ এপ্রিল বেলা সাড়ে ৩ টায় মারা যান। কেউ কেউ বলেন, আমরা প্রশাসনকে খবর দিলেও তারা আসার আগেই দাফন করা হয়ে যায়। মৃত ব্যাক্তির বাড়ির লোকজন র্সবদা ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং বাড়িটি লকডাউন পর্যন্ত করা হয়নি। এ নিয়ে আমরা এলাকার সকলেই বেশ মরণাতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।
সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি সদস্য মো. মনিরুজ্জামান জামাল বলেন, আমি এলকা থেকে খবর পেয়েই বেতাগী থানায় ও উপজেলা প্রশাসনকে জানই তবে তারা কোন ধরনের ব্যবস্থ নেননি।
বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, আমরা খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব আহসান বলেন, আমরা খবর পেয়েছি পুলিশকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
বার্তা বাজার/এম.সি