উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন নাকি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এরপর ৩৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসক নাকি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে দাবি করা হয়। যদিও জল্পনায় জল ঢেলে দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনীতিক চু ইন মুন বলেছিলেন, ‘বেঁচে আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন কিম জং উন।’
দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, করোনাভাইরাসের ভয়েই লুকিয়ে রয়েছেন কিম জং উন।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, কিমের ‘বডিগার্ড’দের মধ্যে একজন ‘করোনা-পজিটিভ’ আক্রান্ত হওয়াতেই যত সমস্যা দেখা দিয়েছে। ‘আইসোলেশনে’ পাঠাতে হয়েছে অন্য নিরাপত্তারক্ষীদেরও। যার জেরে উত্তর কোরিয়ার শাসকের নিরাপত্তা নিয়েও ‘আশঙ্কা’ দেখা দিয়েছে। এছাড়াও কিম নিজেও ‘হোম কোয়ারানটিনে’ যেতে বাধ্য হয়েছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার মন্ত্রী কিম ইয়ন-চুল বলেন,’আমরা জানি কিম জং উন কোথায় রয়েছেন!’ এক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার মন্ত্রী ইয়ন-চুল। তাকে উদ্ধৃত করে খবর জানিয়েছে Bloomberg।
দক্ষিণ কোরিয়ার দাবিকে আরও জোরালো করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাং কিংয়ুং। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কিমকে নিয়ে ‘মার্কিন সেনাপ্রধান দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ’ করেছিলেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘কিম জং উনের সঠিক অবস্থান’ জানেন না বলেও দাবি করেন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার হোয়াইট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ‘আমি জানি কিম কেমন আছে।’ স্বাভাবিকভাবেই তার এই মন্তব্য ঘিরে জল্পনা বেড়ে যায়।
অত্যধিক ধূমপান, স্থূলতাসহ বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন কিম জং উন। তার উপর ছিল মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপ। এর জেরেই হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার এবং তারপর থেকেই গুরুতর অসুস্থ কিম জং উন। গত দু’সপ্তারে বেশি সময়ে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি