পাকুন্দিয়ায় ৮০০ মানুষের মধ্যে পৌরসভার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার সামগ্রী বিতরণ
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শৃঙ্খলার সাথে ৮০০ মানুষের মধ্যে পৌরসভার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উপহার সামগ্রী পাকুন্দিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শৃঙ্খলার সাথে পৌরসভার পক্ষে বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন পৌর মেয়ের অাক্তারুজ্জামান খোকন।
এ সময় পৌর মেয়র আক্তারুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম সাইফুল আলম, পৌর সচিব সৈয়দ শফিকুর রহমান, ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের মহিলা কমিশনার রোকেয়া বেগম, ১ নং ওয়ার্ড কমিশনার শফিকুল ইসলাম আরিফ, ৬ নং ওয়ার্ড কমিশনার মকবুল হোসেন,৯ নং ওয়ার্ডের কমিশনার ফজলুল হক পল্টু সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
পৌর এলাকার লোকজন জানান, দেশব্যাপী করোনা মোকাবিলায় মানুষ ঘরে বসে থাকতে গিয়ে জীবন যাপন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ও দরিদ্ররা অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে কাটাচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি অনেকেই নিজেস্ব অর্থায়নে গরিব-দুখিদের পাশে এগিয়ে আসছে। এর মধ্যে পাকুন্দিয়া পৌর মেয়র অাক্তারুজ্জামান খোকন একজন। তিনি সরকারি ভাবে যতো ত্রাণ পেয়েছেন, তার চেয়ে বেশি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
পাকুন্দিয়া পৌর সচিব সৈয়দ শফিকুর রহমান জানান, আমরা করোনা সংকটের সময়ে পাকুন্দিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৮০০টি পরিবারের হাতে ১০ কেজি চাল করে জন প্রতি তুলে দিচ্ছি।
পৌর এলাকার কৃষি শ্রমিক গোলাপ মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ১০ কেজি চাল পেয়েছি।
পৌর মেয়র অাক্তারুজ্জামান খোকন বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের (কোভিড-১৯) পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট সংকটে কর্মহীন হয়ে পড়া ৮০০ মানুষের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার সামগ্রী তুলে দিচ্ছি আগেও এক হাজার চারশত হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছি, আশা করছি ভবিষ্যতেও আরো আটশত কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিতে পারিব। বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এর ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমিক, ভ্যানচালক, অটোরিক্সাচালক ও চা বিক্রেতারা।
আমাদের সবার উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ সাপেক্ষে সমাজের এ সমস্ত খেটে খাওয়া গরিব দুখিদের সহায়তা করা। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, সাধ্য অনুযায়ি এ সমস্ত মানুষের পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ।
বার্তা বাজার/এম.সি