কিম জং উনের অনুপস্থিতিতে শাসকের তালিকায় প্রথম নাম উঠে আসছে কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং–এর। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার মতো একটি পুরুষতান্ত্রিক দেশ কি মেনে নেবে তাঁকে?
কিম জং উনের শরীর খারাপ? তিনি কোথায়? গত দু’সপ্তাহে তাঁকে কোনও সাংবাদিক বৈঠকে দেখা যায়নি। এ নিয়ে গোটা দেশে চর্চা চলছে। তা বলে কি দেশের সিংহাসন খালি থাকবে? এমতাবস্থায় নাম উঠে এল কিম জং উনের বোনের।
কেন পরিবারের পুরুষদের বাদ দিয়ে তাঁর নাম উঠে আসছে? কিম জং উনের ভাই কিম জং চোল রাজনীতির চাইতে গিটার বাজাতেই বেশি ভালবাসেন। ভাগ্নে কিম হান সোল এই সরকারের সম্পর্কে ভাল ধারণা পোষণ করেন না বলেই জানা গিয়েছে। কিম জং উনের ছেলের বয়স মাত্র দশ। সুতরাং পরিবারের পুরুষরা একে একে তালিকা থেকে বাদ পড়ে গিয়েছেন।
কিন্তু সরকারি আধিকারিকদের মতে, তাঁর বোন এই পদটির জন্য যথেষ্ট অভিজ্ঞ নন। তবে ইতিহাস অন্য কথা বলছে। ৩১–৩২ বছর বয়সেই রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভালমতোই পা বাড়িয়ে দিয়েছেন। দাদার সঙ্গে তিনি অনেক রাজনৈতিক ট্যুরে গিয়েছেন। তদারকিতে অংশগ্রহণ করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে কিম জং উনের অধিবেশনে দাদার সঙ্গে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
অনেকে বলছেন, দেশের পুরুষ শাসিত সমাজে তিনি গৃহীত হবেন না। আবার কারওর মতে, লিঙ্গের চাইতে বংশ পরম্পরাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
কিম জং উনের সময়ে অনেকেই ভেবেছিলেন, ২৮ বছর বয়সে একজন কীভাবে দেশের প্রধান হবেন? ২০১১ সালে তিনি ক্ষমতায় এসেই এক এক করে দূরে সরালেন তাঁর প্রতিদ্বন্দীদের। তাঁদের মধ্যে কিমের সৎভাই ও কাকাও ছিলেন।
এবার প্রশ্ন, পুরুষশাসিত সমাজে কিমের বোন কি জায়গা করে নিতে পারবেন? নাকি শুধু নামেই তিনি দেশের প্রধান হবেন আর বাকিরাই চালাবে দেশ!
বার্তাবাজার/কে.জে.পি