কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় করোনাভাইরাসের কারণে কৃষি শ্রমিক নেই চলছে রমজান মাস, আকাশের অবস্তাও ভাল নেই। যে কোন সময়েই হতে পারে ঝর বৃষ্টি। এমন চিন্তায় উপজেলায় বোরো ধান ঘরে তুলতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক হারুন মিয়া। মধ্যপাকুন্দিয়ার হতদরিদ্র কৃষক হারুন মিয়ার সমস্যার কথা শুনে স্বেচ্ছাশ্রমে রোজা রেখেই ৪০ শতাংশ জমির ধান কেটে বাড়িতে দিয়ে আসেন বাংলাদেশ ব্যাংক এর সহকারী পরিচালক আজিজুল হক আজিজ এর নেত্রেত্ব শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মধ্যপাকুন্দিয়ার দরিদ্র কৃষক হারুন মিয়ার জমির ধান কেটে বাড়ীতে দিয়ে আসেন বাংলাদেশ ব্যাংক এর সহকারী পরিচালক আজিজুল হক আজিজ এর নেত্রেত্ব জালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রাশাসনিক কর্মকর্তা জহিরুল হক সোহাগ, প্রভাষক সুমন সহ ৮০/৯০ জন শিক্ষক শিক্ষার্থী।
কৃষক হারুন মিয়া জানান, বাজারে কামলা (কৃষি শ্রমিক) নেই, নিজের লোক নেই, রোজা রেখে কিভাবে ধান কাটব এ নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক এর সহকারী পরিচালক আজিজুল হক আজিজ কে সমস্যার কথা বলি সকালে ৮০/৯০ জন এসেই ধান কাটা শুরু করেন। দুপুরের মধ্যেই ধান কেটে বাড়িতে দিয়ে যায়। আগে কখনও এভাবে কাউকে কাজ করতে দেখিনি।আমি খুবই আনন্দিত দোয়া করি আল্লাহ ওদের মঙ্গল করুন।তাদের এই মহৎ কাজের জন্য তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই।
ব্যাংক কর্মকর্তা আজিজুল হক বলেন, করোনা ভাইরাসের জন্য শ্রমিক সংকট থাকায় স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র চাষীদের ধান কেটে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এটা চলমান থাকবে।পর্যায়ক্রমে উপজেলার অসহায় চাষীর ধান কেটে দিব।
বার্তা বাজার/এম.সি ৎ