দেশে যখন করোনা ভাইরাস তীব্র আকার ধারণ করেছে ঠিক তখনই সাভার-আশুলিয়া এলাকায় কোনো রকম স্বাস্থ্য সুরক্ষাব্যাতীত একরকম গাদাগাদি করেই কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে হাজার হাজার শ্রমিক। শুরু হয়েছে উৎপাদন। শিল্প পুলিশের দেয়া তথ্যমতে ঢাকা ইপিজেডের প্রায় ৩শতাধিক কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা।
তবে কর্মক্ষেত্রে যোগ দেয়া শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদেরকে জোরপূর্বক গ্রাম থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। কিন্তু দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা।
কিছু কিছু কারখানা দাবী করছে তারা শ্রমিকদের জন্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। আসলে সেখানে ১ লিটারের একটা বোতলে কয়েক হাজার শ্রমিকের জন্য সেনিটাইজার রাখা হয়েছে। যাতে কেবল কোনোমতে হাতটা ছোঁয়াতে পারে শ্রমিকরা।
আরও কিছু ফ্যাক্টরি তাদের প্রবেশ মুখে বেসিন বসিয়েছে। যাতে হাজার হাজার শ্রমিক ৫ সেকেন্ডও সময় পাচ্ছে না হাত ধোঁয়ার মত। বরাবরের মতই মালিকপক্ষ এখানেও দিয়েছে শুভঙ্করের ফাঁকি।
এছাড়া গাদাগাদি করে যানবাহনে চড়ে আর পায়ে হেঁটে হাজারো শ্রমিক সামাজিক দূরত্ব না মেনে প্রবেশ করেছে কারখানাগুলোতে। ফলে শ্রমিকদের বাসা থেকে কারখানা পর্যন্ত সর্বত্রই দেখা গেছে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর ভয়াবহতা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে কাক ডাকা ভোরে সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন শাখা সড়ক গুলোতে এভাবে দলেদলে বের হয়ে আসতে দেখা যায় হাজারো শ্রমিকদের।
বার্তাবাজার/এসজে