ঝুঁকি নিয়েই সীমিত আকারে খোলা হয়েছে দেশের প্রায় ৫০০ পোশাক কারখানা। আপাতত ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ শ্রমিক দিয়ে শুরু করলেও, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই পুরোদমে কারখানা চালু করতে চান মালিকরা।
বিজিএমইএ থেকে স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশিকা দিলেও, অনেক কারখানা শ্রমিক নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সন্তুষ্ট নন।
টঙ্গি শিল্পাঞ্চল এলাকায় সকালের দিকে গিয়ে দেখা যায় সড়কে আর কেউ নেই। ব্যস্ততা শুধু পোশাক কর্মীদের। কেননা সাধারণ ছুটি থাকলেও, রবিবার পোশাক কারখানা খুলেছে।
সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্ট্রগামেও বহুদিন পর দেখা গেলো দলবাধা পোশাক কর্মীদের। অর্থাৎ ভাঙা হলো সামাজিক দূরত্বের প্রথম শর্ত। প্রবেশ গেটে হাতে জীবাণুনাশক দেয়া হচ্ছে। কিন্তু, কারখানার ভেতরে স্বাস্থ্যবিধি কতটুকু মানা হচ্ছে?
উল্টো চিত্রও আছে। জীবাণুনাশক চেম্বারে অনেকটা নিরাপদ হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে কিছু কিছু কারখানা। সামাজিক দূরত্বের হিসেব কষেই কাজ করছেন শ্রমিকরা।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সূত্রে জানা গেছে, অন্তত ১৫টি ব্র্যান্ড মার্চে বাতিল করা রপ্তানি আদেশ পুনর্বহাল করেছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি