সারাদেশে ৬৫৯টি পোশাক কারখানা চালু ছিল বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ। রোববার (২৬ এপ্রিল) পাঠানো দৈনিকভিত্তিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়।
শিল্প পুলিশ থেকে পাঠানো ওই পরিসংখ্যানে উল্লেখ্য করা হয়; বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত কারখানা খোলা ছিল ৪৮০টি ও বন্ধ ছিল ১৪০২টি। বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত ৯৮০টি কারখানা বন্ধ থাকলেও জরুরি উৎপাদন কাজ চালু রাখতে খোলা ছিল ১২১টি। এছাড়াও বিটিএমএর সদস্যভুক্ত ৫৮টি কারখানা চালু রাখলেও বন্ধ ছিল ৩৩১টি কারখানা।
অন্যদিকে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত জেলা নারায়ণগঞ্জে রোববার সকাল থেকে বিভিন্ন রপ্তানিমূখী গার্মেন্ট কারখানা সীমিত পরিসরে খোলা হয়েছে। এসব কারখানার শুধু নিটিং ডাইং ও স্যাম্পল সেকশন খোলা থাকবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএর) সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, সরকারের নির্দেশনা মেনে এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিকেএমইএ নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাসরত বা কারখানা আশেপাশে অবস্থান করা শ্রমিকদের দিয়েই কারখানা সীমিত আকারে চালু করে কাজ শুরু করবে।
শ্রমিক নেতারা বলছেন, এতে করে গার্মেন্টস মালিকদের মুনাফার বলি হবে শ্রমিকরা। তবে মালিকপক্ষের দাবি, নারায়ণগঞ্জে বসবাসরত এবং গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি আশেপাশে অবস্থান করা শ্রমিকদের নিয়ে সীমিত আকারে কাজ শুরু করবে এই মুহূর্তে বাইরের কোন জেলার শ্রমিক যাতে নারায়ণগঞ্জে প্রবেশ না করে সেজন্য বিকেএমইএ পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া আছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত আকারে কারখানা খোলা হয়েছে।
তবে গার্মেন্টস খোলার খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের বাইরের জেলায় অবস্থানরত শ্রমিকরা সকাল থেকেই দলে দলে ফতুল্লার বিসিকে নিজ নিজ কর্মস্থলে আসতে শুরু করেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে কিংবা পায়ে হেঁটে অথবা তিন চাকার যানবাহনে করে দলে দলে আসছেন শ্রমিকরা।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস